ভয় দেখানো থেকে শুরু করে তোলাবাজি, লুটপাট, মারধর, অত্যাচার, এমন একাধিক অভিযোগ রয়েছে সন্দেশখালির শেখ শাহজাহান ও তাঁর সাগরেদ শিবু হাজরা ও উত্তম সর্দারের বিরুদ্ধে। গ্রামের লোকজনই এই তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন। এবার এই একই অভিযোগ তুললেন সন্দেশখালির প্রাক্তন তৃণমূল নেতারাও।
কী অভিযোগ উঠল?
সন্দেশখালির ২ নম্বর ব্লকের প্রাক্তন বুথ সহ-সভাপতি তাপস দাস, সুদেব গিরিরা জানান, শিবু হাজরা, উত্তম সর্দাররা এলাকার প্রাক্তন তৃণমূল নেতাদের উপরেও অত্যাচার চালাত। সেই তৃণমূল নেতাদের অনেকেই ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে রয়েছেন দলে। তাদের উপরও নির্যাতন চালাতে বাদ রাখে নি শাহজাহান ও তাঁর সাগরেদরা।
প্রাক্তন তৃণমূল নেতাদের দাবী, ক্ষমতায় এসেই এলাকার প্রাক্তন তৃণমূল নেতাদের পদ থেকে সরিয়ে দেয় শাহজাহান ও তাঁর সাগরেদরা। এরপরই শুরু হয় অত্যাচার। অভিযোগ, পারিশ্রমিক চাইলেই তাদের বেত দিয়ে মারধর করা হত। আর তার সঙ্গে তো অশ্রাব্য ভাষায় গা’লি’গা’লা’জ চলতই। প্রশাসনকে জানিয়েও লাভ হয়নি। বরং অত্যাচার আরও বেড়ে যেত। ভয়ে তারা কেউ এতদিন মুখ খুলতে পারেন নি বলে জানান।
এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন যে সন্দেশখালিতে বহিরাগতরা ঢুকেছে। সেখানকার প্রাক্তন তৃণমূল নেতাদের দাবী, শিবু, উত্তমরাই বাইরে থেকে লোক নিয়ে এসে এলাকায় দাপিয়ে বেড়াত। সাধারণ মানুষ থেকে প্রাক্তন তৃণমূল নেতা সকলেই অত্যাচারের শিকার হয়েছেন এই শাহজাহান ও তাঁর সাগরেদদের।
প্রসঙ্গত, বিগত কয়েকদিন আগেই সন্দেশখালির মহিলারা বিক্ষোভ দেখান শেখ শাহজাহান ও তাঁর সাগরেদ উত্তম ও শিবুদের বিরুদ্ধে। জোর করে তাদের জমি দখল থেকে শুরু করে শ্লী’ল’তা’হা’নি, শারীরিক অত্যাচারের অভিযোগ তোলেন মহিলারা। শাহজাহান এখন ফেরার। সেই কারণে সাহস সঞ্চয় করে এখন মুখ খুলেছেন সেখানকার বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগে উত্তম ও শিবুকে গ্রেফতার করা হলেও এখনও ফেরার মূল পাণ্ডা শেখ শাহজাহান।





“উত্তম কুমারের ছেলের সঙ্গে দেবলীনার বিয়ে হয়েছে” রাসবিহারীর দলীয় প্রার্থী দেবাশিস কুমারের মেয়েকে নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে শোরগোল!