দুয়ারে সরকার প্রকল্পের ক্যাম্পে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ফর্মের জন্য ভিড় দেখে বোঝাই যাচ্ছে যে এই প্রকল্পকে ঘিরে কী বিপুল পরিমাণ সাড়া পড়েছে গোটা রাজ্যে। এর পাশাপাশি আবার মুখ্যমন্ত্রী এও ঘোষণা করেছেন যে একই পরিবারের একাধিক মহিলা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।
ইতিমধ্যেই হয়েছে ২২ হাজার ক্যাম্প ও ফর্ম জমা পড়েছে ৩৩ লক্ষ, একথা জানিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে নানান আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি। এরপর যেন নতুন আশা তৈরি হয়েছে লক্ষ লক্ষ মহিলার মনে।
আরও পড়ুন- ‘আতঙ্ক দিয়ে তৈরি সাম্রাজ্য বেশিদিন স্থায়ী হয় না’, পরোক্ষভাবে তালিবানদের বার্তা মোদীর
মুখ্যমন্ত্রীর এমন ঘোষণা পর এবার এই প্রকল্পের প্রাপকের সংখ্যা ১ কোটি ৬০ লক্ষ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৬০ লক্ষে। এর এরপরই প্রশ্ন উঠেছে যে হারে প্রাপকের সংখ্যা বাড়ছে, এত বিপুল পরিমাণ মহিলাকে টাকা জোগান দেওয়ার অর্থ আছে তো সরকারের?
এই বিষয় নিয়ে চিন্তা বেড়েছে সরকারি আধিকারিকদের। এই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পকে সচল রাখার জন্য নানান দিক থেকে খরচ কমানর কথা ভাবা হয়েছে। নানান দফতরের মন্ত্রীদের খরচ কমিয়ে সেই টাকা দিয়ে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে টাকার জোগান দেওয়ার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এভাবে সত্যিই কী টাকার জোগাড় সম্ভব?
সরকারি সূত্রের খবর অনুযায়ী, আগে স্থির ছিল যে কোনও পরিবারের প্রধান মহিলা যার নামে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড রয়েছে, তিনিই শুধুমাত্র এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। কিন্তু বর্তমানে একাধিক মহিলাকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে।
আরও পড়ুন- তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ ফেসবুকের, ‘নো ভোট টু বিজেপি’ গ্রুপকে ব্লক করা হল সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের তরফে
আর এর জেরে প্রাথমিকভাবে বরাদ্দ বাজে ট ১১ হাজার কোটি টাকা এখন বেড়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৭ থেকে ১৮ হাজার কোটিতে। এই টাকা কীভাবে কোথা থেকে জোগাড় হবে, এই ভেবেই কার্যত কিছু ঠাওর করতে পারছেন না সরকারি আধিকারিকরা।





