সেপ্টেম্বরে কী শিশুদের জন্য আরও একটি টিকা আসতে চলেছে? ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য আবেদন জানাল জনসনও

চলতি মাসের শুরুতেই ভারতে অনুমোদন মিলেছে জনসন অ্যান্ড জনসনের করোনার টিকার। প্রাপ্তবয়স্কদের পর এবার শিশুদের টিকাকরণের জন্য ট্রায়ালের অনুমতি চাইল এই মার্কিন টিকা প্রস্তুতকারক সংস্থা। ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের উপর টিকার ট্রায়ালের জন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এদিন মার্কিন ওষুধ প্রস্তুতকারক এই সংস্থা তরফে প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে মঙ্গলবারই সংস্থার তরফে এ আবেদন জমা করা হয়েছে। দেশের সমস্ত বয়সীদের টিকা দিতে তারা প্রস্তুত। এই বিবৃতিতে বলা হয়, “হার্ড ইমিউনিটি অর্জন করার জন্য সমস্ত বয়সীদের উপর করোনা টিকার ট্রায়াল চালানো প্রয়োজন। সমস্ত বয়সসীমার মানুষই যাতে করোনা টিকা পান, সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ চালিয়ে যাব”।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে আমেরিকাতে জরুরী ভিত্তিতে অনুমোদন দেওয়া হয় জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকাকে। এরপর সিঙ্গল ডোজের এই টিকা অনুমোদিত হয় ভারতেও চলতি মাসেই। জানা জায়ম হায়দ্রাবাদের বায়োলজিক্যাল-ই নামের সংস্থার সঙ্গে মিলিত চুক্তিতে এই টিকার প্রয়োগ শুরু হবে।

গবেষণায় এও দেখা গিয়েছে যে করোনা সংক্রমণের কারণে মাঝারি থেকে জটিল অসুস্থতার ক্ষেত্রে এই টিকা ৬৫ শতাংশ কার্যকরী। করোনা সংক্রমণ রুখতেও এই টিকা ৮৫ শতাংশ কার্যকরী বলেই জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন- রাজ্য সরকারের রাজকোষে টানাটানি অবস্থা, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা আসবে কোথা থেকে? চিন্তায় আধিকারিকরা

এদিকে, মঙ্গলবারই স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্য জানিয়েছেন, ভারতে শিশুদের জন্য করোনার টিকা দ্রুতই মিলবে। ভারত বায়োটেক ও জাইডাস ক্যাডিলা সংস্থা ইতিমধ্যেই শিশুদের টিকার ট্রায়াল শুরুক্রে দিয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরেই এই ট্রায়ালের ফলাফল মিলবে। এর ভিত্তিতেই অনুমোদন দেওয়া হবে।

গত মাসে সিল্লির এইমসের প্রধান ডঃ রণদীপ গুলেরিয়া জানান যে সেপ্টেম্বরেই শিশুদের জন্য দুটি টিকার অনুমোদন মিলতে পারে। শিশুদের টিকাকরণ শুরু হয়ে গেলে করোনা সংক্রমণের শৃঙ্খল আরও কিছুটা ভাঙতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

গতমাসে ভারতের ওষুধ নিয়ামক সংস্থার তরফেও সেরাম ইন্সটিটিউট অব ইন্ডিয়াকে ২ থেকে ১৭ বছর বয়সী ৯২০ জনের উপর কোভোভ্যাক্সের দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফার ট্রায়ালের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। মূলত নির্দিষ্ট সংখ্যক কিছুজনের উপর টিকা প্রয়োগ করে টিকার সুরক্ষা ও কার্যকারিতা পরীক্ষা করাকেই ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল বলা হয়।

RELATED Articles