আজ, সোমবার এসএসসি চাকরিপ্রার্থীরা বিধানসভার বাইরে বিক্ষোভ দেখিয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে মামলা চলছে। উপাচার্যদের নিয়ে রাজ্যপালের বৈঠকে এবার ফের সেই নিয়োগ দুর্নীতির প্রসঙ্গই টানলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। দুর্নীতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে নিয়োগ দুর্নীতিতে জেলবন্দি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কথাও শোনা যায় তাঁর মুখে।
আজ, সোমবার রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয় কেন্দ্রের প্রথম বৈঠক হয়। সল্টলেকে মৌলানা আবুল কালাম আজাদ ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজিতে এই বৈঠক হয়। সেখানে রাজ্যপাল বার্তা দেন যে কোনও দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বচ্ছতার সঙ্গে অধ্যাপক নিয়োগ হবে। ‘ডু অ্যান্ড ডেয়ার’ স্লোগানে বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ হবে।
কী বলেন এদিন রাজ্যপাল?
এদিন সি ভি আনন্দ বোস বলেন, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও স্টুডেন্ট এক্সচেঞ্জ হবে। এর জন্য অ্যাকাডেমিক-ইন্ডাস্ট্রি কমিটিও তৈরি হচ্ছে। তাঁর কথায়, সরকার, স্টেক হোল্ডাররা একসঙ্গে কাজ করবে। এদিন বারবার তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, দুর্নীতি বন্ধের কথা। আর সে কথা বলতে গিয়েই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “এটা বেদনাদায়ক যে রাজ্যের একজন মন্ত্রী জেলে। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক নিয়োগ করতে হবে স্বচ্ছতার সঙ্গে। কোনও ধরনের দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না”।
উপাচার্য নিয়োগ থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত ভোট, নানান ইস্যুতে সম্প্রতি বারবার রাজ্য বনাম রাজ্যপালের সংঘাত সামনে এসেছে। নতুন করে সংঘাতের কোনও পরিবেশ যে রাজ্যপাল চান না, তা এদিন নিজের বক্তব্যে স্পষ্ট করেছেন রাজ্যপাল। রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানের কথায়, “যা হয়ে গিয়েছে, তার জের টেনে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। সরকার এবং ‘স্টেক হোল্ডার’ (উপাচার্য-সহ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ) এক সঙ্গে কাজ করবে”।
কী বলছে গেরুয়া শিবির?
বিজেপি যে রাজ্যপালের পাশেই থাকবে তা বুঝিয়ে দিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য। বিজেপির মুখপাত্র শমীক বলেন, “সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থাই তো একটা খোলা বাজার হয়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় মানুষের শিক্ষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে রাজ্যপাল সচেষ্ট হয়েছেন”।





