এই নিয়েও বেশ সংঘাত তৈরি হয়েছিল রাজভবন ও রাজ্যের মধ্যে। তবে অবশেষে কাটল সমস্ত জটিলতা। পুজোর আগেই মুক্তি পাচ্ছে রাজ্যের নানান কারাগারের ৭১ জন বন্দি। নবান্নের বন্দিমুক্তি প্রস্তাবে অবশেষে গতকাল, শুক্রবার রাতে সম্মতি দিয়েছেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস।
গতকাল, শুক্রবার রাতে ৭১ জন বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার প্রস্তাবে সম্মতি জানান রাজ্যপাল। এর আগে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্য ও রাজ্যপালের মধ্যে প্রবল সংঘাত বাঁধে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে দু’পক্ষ এই বিষয় নিয়ে একটি বৈঠক করতে রাজি হয়েছে। ফলে রাজভবন ও নবান্নের সম্পর্ক যে একটু উন্নত হয়েছে, তা ধরা যায়।
সাধারণত নানান কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের আচরণের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয় এই বন্দিমুক্তির তালিকা। স্বাধীনতা দিবস ও সাধারণতন্ত্র দিবসে বন্দিমুক্তির জন্য এই ব্যবস্থা করা হয়। রাজ্যের নানান কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের মধ্যে কে কেমন আচরণ করে, তা বিবেচনা করে একটি তালিকা তৈরি করে কার দফতর, স্বরাষ্ট্র দফতর, আইন দফতর ও বিচার ব্যবস্থা দফতর।
এরপর সেই তালিকা পাঠানো হয় রাজভবনে। রাজ্যপাল তাতে অনুমোদন দিলে তালিকা চূড়ান্ত হয়। তবে চলতি বছরের ১৫ আগস্টের তালিকায় অনুমোদন দেন নি রাজ্যপাল। তা নিয়ে রাজ্যের সঙ্গে একপ্রস্থ সংঘাত বাঁধে। তবে এবার পুজোর আগে নবান্নের প্রস্তাবে সম্মতি দিলেন রাজ্যপাল।
সম্প্রতি রাজ্যের ১০০ দিনের কাজের টাকার বকেয়া কেন্দ্র আটকে রেখেছে বলে অভিযোগ তুলে দিল্লিতে গিয়ে আন্দোলন করে তৃণমূল। রাজভবনের সামনেও ধর্নায় বসে তারা। সেই নিয়েও কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে মধ্যস্থতা করেছেন রাজ্যপাল। ফলে মনে করা হচ্ছে রাজ্য ও রাজ্যপালের সম্পর্কের হয়ত ধীরে ধীরে উন্নতি ঘটছে।






