সপ্তাহজুড়ে একটানা বৃষ্টির পর শনিবার সকালে কিছুটা স্বস্তি মিলেছিল সূর্যের দেখা পেয়ে। তবে এই স্বস্তি খুব বেশিক্ষণ টিকবে না বলেই ইঙ্গিত আলিপুর আবহাওয়া দফতরের। কারণ ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস। আবহাওয়াবিদদের মতে, দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় আগামী কয়েকদিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। এমনকি উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অর্থাৎ ছাতা ছাড়া বাইরে বেরনোর ভাবনাই বাতিল!
শনিবার থেকেই ফের রাজ্যের আবহাওয়ায় বদল আসতে শুরু করবে বলে পূর্বাভাস। ২২ জুন থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও দমকা হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠতে পারে বলেও জানিয়েছে হাওয়া অফিস। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম— একাধিক জেলা থাকবে এই সম্ভাবনার আওতায়। ফলে যাঁরা দিনের বেশিরভাগ সময় বাইরে থাকেন, তাঁদের সাবধানতা অবলম্বন করাই বাঞ্ছনীয়।
২৫ জুন বিশেষ নজরে রাখার দিন। ওইদিন দক্ষিণবঙ্গের হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া— এই আট জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পরদিন অর্থাৎ ২৬ জুন ফের ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমানের কিছু অংশে। শনিবারই উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। আর রবিবার দার্জিলিং-সহ উত্তরের আরও পাঁচ জেলায় বৃষ্টির মাত্রা বাড়তে পারে বলে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির দাপট বাড়লেও তাপমাত্রার বিশেষ হেরফের হওয়ার সম্ভাবনা আপাতত নেই বলেই জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। দক্ষিণবঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গ, দুই অঞ্চলের তাপমাত্রা প্রায় একই রকম থাকবে। ভ্যাপসা গরম থেকে কিছুটা রেহাই মিললেও আদ্রতাজনিত অস্বস্তি বজায় থাকবে। অর্থাৎ বর্ষার শুরুতেই একেবারে স্বস্তির নিঃশ্বাস নেওয়ার সুযোগ নেই।
আরও পড়ুনঃ Astrology : রাহুর ছায়ায় সূর্যের প্রবেশ ২২ জুন! বিপদের মুখে ৩ রাশির জাতক জাতিকারা, সঙ্গে আর্থিক ক্ষতি ও স্বাস্থ্যহানির আশঙ্কা!
শনিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। ন্যূনতম তাপমাত্রা থাকবে ২৬ ডিগ্রির আশপাশে। বাতাসে সর্বোচ্চ আর্দ্রতার পরিমাণ ৯৫ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৮৯ শতাংশ থাকবে বলে জানা গেছে। ফলে দিনের বেশিরভাগ সময় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি অনুভূত হতে পারে। তার উপর বৃষ্টির চোটে পথঘাট ভিজে কাদা হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই নাগরিকদের জন্য বার্তা— আবহাওয়া দেখে তবেই বেরোন!





