Hiran Chatterjee commented on Keshpur: আজ, ২৫ মে ছিল লোকসভা নির্বাচনের ষষ্ঠ দফার ভোট। এদিন ভোট ছিল ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রে। ঘাটাল, দাসপুর, পাঁশকুড়া পশ্চিম, কেশপুর, পিংলা, ডেবরা, সবং এই সাত বিধানসভা কেন্দ্র মিলিয়ে ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্র। এদিন চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে কেশপুর। এদিন সকাল থেকেই এখানে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায় ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে। আর কেশপুর নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্যও করলেন তিনি (Hiran Chatterjee commented on Keshpur)।
আগের বারের লোকসভা নির্বাচনে ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্র থেকে ১ লক্ষ ৮ হাজার ভোটে জিতেছিলেন দেব। বিজেপির দাবী, দেবের এই জয়ের বেশিরভাগটাই এসেছিল কেশপুর থেকে। ফলে কেশপুর যে এবারের লোকসভা নির্বাচনে প্রাসঙ্গিক, তা বলাই বাহুল্য। এই কেশপুরে সকাল থেকেই ছাপ্পা চলছে বলে অভিযোগ হিরণের (Hiran Chatterjee commented on Keshpur)।
হিরণের দাবী, “কেশপুরের অনেক বুথে এজেন্ট বসতে দেওয়া হয়নি। অনেক জায়গায় মানুষকে বুথে যেতে বাধা দেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে আমি এলাকায় পৌঁছতে চাইলে আমারও গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে। গাড়ির সামনে খড়ের গাদা এনে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। বাহিনীর উপস্থিতিতে যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে অন্য সময় এখানে কী হয়? এ তো পুরো পাকিস্তান” (Hiran Chatterjee commented on Keshpur)।
এরপরই ক্ষোভ উগড়ে হিরণ বলেন, “কেশপুরকে মমতা পাকিস্তান করেছেন। আর সৌজন্যের প্রতীক দীপক অধিকারী লুঙ্গিবাহিনীর হাতে বাঁশ, লাঠি দিয়ে নামিয়েছেন আমাকে ঘেরাও করার জন্য। এই তো সৌজন্যের নজির! মুখে মিষ্টি কথা আর কাজে লুঙ্গিবাহিনীকে ব্যবহার” (Hiran Chatterjee commented on Keshpur)।
বলে রাখি, এই কেশপুর থেকেই ২০০১ সালে বিধানসভা ভোটে সিপিএম প্রার্থী জিতেছিলেন বড় ব্যবধানে। তাই নিয়ে সিপিএমের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ করেছিল তৎকালীন বিরোধী দল তৃণমূল। এবার তৃণমূলের বিরুদ্ধে সেই একই অভিযোগ এনে হিরণ (Hiran Chatterjee commented on Keshpur) বললেন, “কেশপুরের সেই সন্ত্রাস বন্ধ হয়নি। তৃণমূলের হাত ধরে তা আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে”।
এই বিষয়ে তৃণমূলের জেলা নেতা অজিত মাইতি বলেন, “বাহিনীর ঘেরাটোপে ভোট হচ্ছে, তাতেও সন্ত্রাসের কথা বললে তো মানুষ শুনবে না! এরপর তো বিজেপি বলবে, বাইরের রাজ্য থেকে ভোটার আনতে হবে”।
হিরণের এহেন মন্তব্যে (Hiran Chatterjee commented on Keshpur) দেবের পাল্টা জবাব, “বাহিনীর ঘেরাটোপে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হচ্ছে। হিরণের কোনও অভিযোগ থাকলে কমিশনে জানান, এভাবে মিথ্যে অভিযোগ করে বাজার গরম করার চেষ্টা কাজে আসবে না”।





