এবার চাকরি-শিক্ষার ক্ষেত্রে সংরক্ষন নিয়ে প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট। মহারাষ্ট্রে ১৯১৩ সালে মারাঠা রাজ্যের একটি বিল পাস হয়েছিল জনগণনার ভিত্তিতে। তাতে বলা হয়েছিল, পিছিয়ে পড়া ও অনগ্রসর শ্রেণীর জন্য শিক্ষা ও চাকরির ক্ষেত্রে ১৬ শতাংশ সংরক্ষণের ব্যবস্থা রাখতে হবে।
আর ওই আইনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সর্বোচ্চ আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়। ১৬ শতাংশ সংরক্ষণের হিসাব ধরলে উর্ধ্বসীমা ৫০ শতাংশ পেরিয়ে যায় বলে জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। কিন্তু ৫০ শতাংশের বেশি সংরক্ষণ করা যাবে না বলে সুপ্রিম কোর্ট আগেই রায় দিয়েছিল।
তবে এবার খোদ প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট। শিক্ষা, চাকরির ক্ষেত্রে আর কত প্রজন্ম ধরে সংরক্ষণ চলবে। চাকরিও শিক্ষার ক্ষেত্রে একটি মামলার রায় বিচারপতি অশোক ভূষণের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, আজন্মকাল ধরে সংরক্ষণের এই ব্যবস্থা জিইয়ে রাখার কোনও মানেই হয় না। চাকরির ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ বা তার বেশি সংরক্ষণের দাবি করাটা মৌলিক অধিকার নয়। সে ক্ষেত্রে সমান অধিকারের বিষয়ে প্রশ্ন উঠে যায়।






