বচসায় বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং মাথা ফেটে আহত। সোমবার বন্ধ ব্যারাকপুরে।

সকালে বচসার সূত্রপাত। আর সেই বচসাকে কেন্দ্র করেই মাথা ফেটে আহত হলেন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং৷ মাথায় সাত-সাতটি সেলাই পরেছে বলে খবর। তবে এখন সুস্থ আছেন তিনি।

সূত্রের খবর, সকালে পার্টি অফিস দখলকে কেন্দ্র করে বচসার সূত্রপায়। অভিযোগ, শ্যামনগর এলাকায় বিজেপির তিনটি পার্টি অফিস দখল করে নেয় তৃণমূল। যদিও লোকসভা নির্বাচনের পূর্বে সেগুলো তৃণমূলেরই পার্টি অফিস ছিল৷ পরবর্তীতে সেখানকার তৃণমূলকর্মীরা বিজেপিতে নাম লেখালে পার্টি অফিস তিনটিও চলে আসে বিজেপির দখলে। আজ সেই পার্টি অফিসগুলোই তৃণমূল ফের দখল করে বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে সে জায়গায় দ্রুত পৌঁছান বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। এরপরই ঝামেলার সূত্রপাত হয়েছিল বলে জানা যায়।

 

আহত অর্জুন সিং এর অভিযোগ, তিনি সেখানে যেতের তাঁর ওপর চড়াও হন তৃণমূল কর্মীরা। সেসময় পুলিশ সামনে থাকলেও পুলিশতো কোনো সাহায্য করেইনি উল্টে অর্জুন সিং চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনেন যে ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা তাকে পিস্তলের বাট দিয়ে আঘাত করে খুন করতে সচেষ্ট হয়েছিলেন। অর্জুন সিং এর আরও দাবী যে, রাজ্য পুলিশ তাদের বাঁচায়নি উল্টে তাঁরা তাদের আঘাত করতে শুরু করেন। পুলিশের আঘাতেই তাঁর পুত্র এবং স্থানীয় বিধায়ক জখম হন বলেও অভিযোগ করেন বিজেপি সাংসদ।

যদিও অর্জুন সিং এর এই অভিযোগ অস্বীকার করে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এই ঘটনার দায় বিজেপি সাংসদ এবং তাঁর দলবদলের ওপরই। কারণ, অর্জুন সিং ই নাকী স্থানীয় বিজেপি সমর্থকদের উস্কেছিলেন পুলিশদের আঘাত করার জন্য৷ পুলিশের আরও দাবী যে, অর্জুন সিং এর মাথা কোনো পিস্তলের বাট লেগে হয়নি, বরং তা হয়েছে অপর এক বিজেপি সমর্থকের ছোড়া ইটের ঢিল লেগেই। এখন দেখার বিষয় এটি যে, এই জল কতোদূর গড়ায়। আপাতত এই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্র জুড়ে বন্ধের ডাক দিয়েছে রাজ্য বিজেপি সঙ্গে জেলা জুড়ে বিক্ষোভমূলক কর্মসূচীরও ডাক দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে ৷

আরও অন্যান্য খবর