শুরু হয়ে গিয়েছিল তাঁর নামে দেওয়াল লিখন! টিকিট না পেয়ে অপমানিত ‘জটু’ যোগ দিলেন পদ্ম শিবিরে

নির্বাচনের  নির্ঘণ্ট প্রকাশের বহু আগে থেকেই দলের বিরুদ্ধে কথা বলা শুরু করেছেন শিবপুরের বিদায়ী বিধায়ক জটু লাহিড়ি। তবে এবার আর না, প্রার্থী তালিকায় নাম না দেখে বিজেপির কার্যালয়ে গিয়ে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিলেন তিনি।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বয়সের কারণে’ টিকিট না পাওয়ায় বিধায়ক জটু লাহিড়ি নিজেকে ‘অপমানিত’, ‘বঞ্চিত’ বোধ করেছেন বলেও দাবি করেন।

আরও পড়ুন –নীলবাড়ির লড়াই জিততে রবিতে ব্রিগেডে  মোদীর ঐতিহাসিক জনসভা! ২১শে জিততে পারবেন কি বাংলা?

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এবারের প্রার্থী তালিকা দেখে যথেষ্ট অসন্তোষ দেখা গেছে তৃণমূলের অন্দরে। বিধানসভা ভোটে ৮০ বছরের উর্ধ্বে বিধায়কদের টিকিট দেয়নি রাজ্যের শাসক দল।শুক্রবার প্রার্থী তালিকা ঘোষণার সময় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, বয়সের কারণে জটু লাহিড়ি, রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের মতো কয়েকজনকে টিকিট দেওয়া হচ্ছে না। যাঁদের টিকিট দেওয়া হচ্ছে না, তাঁদের জন্য বিধান পরিষদ তৈরি করা হবে বলেও দাবি করেন মমতা।

আরও পড়ুন – মাঝরাতে বিজেপিতে যোগদান দাপুটে তৃণমূল নেতার, শক্ত হচ্ছে গেরুয়া ঘাঁটি

যদিও সেই আশ্বাসে চিঁড়ে ভেজেনি। বরং বাংলার ক্রিকেটার মনোজ তিওয়ারিকে তাঁর কেন্দ্র থেকে টিকিট দেওয়ায় তৃণমূলের প্রতি বঞ্চনার অভিযোগ তুলেছেন ৮৪ বছরের বিধায়ক। তাঁর বক্তব্য, তৃণমূলে অপমানিত বোধ করছেন তিনি। বঞ্চনার শিকার হয়ে আসছেন। ‘যদি তোর ডাক না শুনে কেউ আসে, তাহলে একলা চলো রে’ ডাক দিয়ে একাই তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়ে এসেছেন। বলেন, ‘এই সরকার যত তাড়াতাড়ি যাবে, তত দেশের মঙ্গল হবে। তত দেশের কল্যাণ হবে। কারণ এই সরকার নীতি-নৈতিকতাহীন হয়ে গিয়েছে। আমাদের বাংলাকে ভিখিরি করে দিয়েছে।’ তাঁর কার্যালয় থেকেও মমতা ও তৃণমূলের যাবতীয় ছবিও খুলে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

তাহলে কি শিবপুরে দাঁড়াচ্ছেন? জটু জানান, সেই সিদ্ধান্ত বিজেপি নেবে। তিনি কোনও স্বার্থ নিয়ে বিজেপিতে যোগ দেননি। বিজেপি টিকিট না দিলেও তাঁর কোনও ‘দুঃখ’ নেই। যদি বিজেপি ‘অপমান’ না করে তাহলে ‘জীবনের শেষদিন পর্যন্ত বিজেপি করে যাব’ বলেও জানান তিনি।

RELATED Articles