শিয়ালদা (Sealdah) আদালত চত্বরে শনিবার প্রহরী রায় ঘোষণা, সঞ্জয় রায়কে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। এই রায়ের পরেই, আন্দোলনকারীদের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। জুনিয়র ডাক্তারদের মতে, সঞ্জয় রায়কে দোষী সাব্যস্ত করা হলেও, আসল অপরাধী এখনও অজ্ঞাত। আন্দোলনকারীরা বারবার এই প্রশ্ন তুলে বলছেন, “আমরা কবে সুবিচার পাবো?” শনিবারের ঘটনা নতুন করে রাজপথে আন্দোলনকে উস্কে দিয়েছে।
শিয়ালদা আদালত চত্বরে জনস্রোত দেখা যায়, এবং প্রতিবাদ জানাতে সেখানে বহু মানুষ উপস্থিত হন। টিভি ও মোবাইলে রায় ঘোষণার প্রতীক্ষা ছিলো সবার। রায়ের পরেই এই প্রতিবাদ শুরু হয়। সঞ্জয় রায়কে দোষী সাব্যস্ত করার বিষয়টি শোনার পর, আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, পুরো ঘটনার পেছনে আরও অনেক বড় সিস্টেমের চক্রান্ত রয়েছে।
শিয়ালদা আদালত থেকে বের হওয়া মিছিলটি নতুন আন্দোলনের ঢেউ তৈরি করতে প্রস্তুত। জুনিয়র ডাক্তারদের পাশাপাশি অনেক সিনিয়র চিকিৎসকও এই মিছিলে অংশ নেন। তাঁদের সবার দাবি, “আসল সত্যিটা সামনে আসুক।” আন্দোলনকারীদের মুখে একটাই স্লোগান – “উই ওয়ান্ট জাস্টিস, উই ডিমান্ড জাস্টিস।” রায় ঘোষণার পর, প্রশ্ন উঠেছে, আসল অপরাধী কারা?
মিছিল চলাকালে আন্দোলনকারীরা একে একে সিসি ক্যামেরায় দেখানো ব্যক্তিদের নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। “এক্সট্রা ডিএনএ কোথা থেকে এল? এটা কার?” এমন প্রশ্নও উঠে আসে। জুনিয়র ডাক্তার আসফাকুল্লা নাইয়া বলেন, “এটি শুধু একজনের কাজ নয়। পুলিশ হেনস্থার পর থেকেই এটা স্পষ্ট যে, কোনও একটা সিস্টেমকে আড়াল করার চেষ্টা হচ্ছে।” আন্দোলনকারীদের মতে, এটা বোঝার জন্য বিশেষ তদন্ত প্রয়োজন।
আরও পড়ুনঃ ষ’ড়যন্ত্রের মুখে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা! কি কি অভিযোগ আনলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধান মন্ত্রী?
এখন, একটাই প্রশ্ন – ফের কি রাজপথে নেমে আসবে আন্দোলনকারীরা? পরিস্থিতি ঘোলাটে, কারণ অতীতে রাত দখল এবং পুলিশি হামলা থেকেও আন্দোলনকারীরা ছাড়েননি। তাঁদের দাবি, যতদিন সুবিচার না পাবেন, ততদিন তাঁরা রাস্তায় থাকবেন।





