রাজ্যে এই মুহূর্তে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে চলছে বিতর্ক। আজ, শুক্রবার হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জানান মন্তব্য করেন যে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে কেউ কেউ ওয়েটিং লিস্ট থেকেই জাম্প করে চাকরি পেয়েছেন। এদিন বিচারপতি স্কুল সার্ভিস কমিশনের কাছে জানতে চান যে কার বা কাদের সুপারিশে এই চাকরি দেওয়া হয়েছে?
আজ, শুক্রবার নবম-দশম শ্রেণীর সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে। মামলাকারী পূর্বিতা রায় অভিযোগ আনেন যে মেধা ও বয়স না থাকা সত্ত্বেও বেআইনিভাবে ৯ জনকে চাকরি দেওয়া হয়েছে।
এই মামলার শুনানিতে আদালতে মামলাকারীর আইনজীবী জানান যে হাইকোর্টের নির্দেশে যে ১৮৩ জন অযোগ্য শিক্ষকের তালিকা ও ওএমআর শিট প্রকাশ করতে বলা হয়েছিল সেখান থেকেই এই তথ্য পাওয়া গেছে। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় এসএসসির আইনজীবীকে প্রশ্ন করেন, “এই নিয়োগের বিষয়ে কার কার সুপারিশ ছিল”?





