তিনি বরাবরই বিতর্কিত। তাঁর গানে প্রথমদিকে প্রতিবাদী সুর থাকলেও পরের দিকে তিনি যে জনপ্রিয়তা হারাচ্ছেন একথা বুঝতে পেরেই রাজনীতির সংস্রবে এসেছেন, বলছেন নিন্দুকেরাই। যদিও কবীর সুমনের এতে কিছু যায় আসেনি। তিনি তৃণমূলে গিয়েছেন, সবুজ শিবিরের হয়ে যাদবপুর থেকে ভোটেও জিতেছেন এবং মাঝে মতবিরোধ এর জন্য দল ছাড়বো ছাড়বো করেও ছাড়েন নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্ধ ভক্ত এই শিল্পী সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি ছবি এঁকেছেন। তবে সেই ছবির কমেন্ট বক্সে মন্তব্য এসেছে যে এটি স্রেফ “কাকের ঠ্যাং বকের ঠ্যাং” হয়েছে। যদিও কাঁচা হাতে মোবাইলে আঁকা এই ছবি দেখে কারোর বোঝার সাধ্য নেই যে ওটা সত্যি আদৌ মানুষের ছবি কিনা। ছবির ক্যাপশনে লেখা, “ফোনে আঁকলাম তোমায়- মমতা”। সোমবার এই ছবি পোস্ট করার কিছুক্ষণের মধ্যেই নেটিজেনদের ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ এবং “হাহা” রিয়াক্ট ভরে গেছে তার পোস্ট। এমনকি কৌতুকপ্রেমী নেটিজেনরা এই ছবি নিয়ে বিভিন্ন মিমও বানিয়ে ফেলেন। আর এতেই বেজায় চটেছেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ।
এমনিতেও তিনি মেজাজ সবসময় সপ্তমে চড়িয়ে রাখেন। তার ওপর তাঁর অঙ্কন দক্ষতা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ হতে দেখে মেজাজ হারিয়েই ফেললেন তিনি।
মঙ্গলবার তিনি আরেকটি আকা এঁকেছেন। সেখানে পোষ্টের ক্যাপশনে দেখেছেন যারা তার আগের পোস্টে হাহা রিঅ্যাক্ট দিয়েছে তারা নপুংসক। এছাড়াও মোক্ষম ভাষায় বেশ অশালীন দু-তিনটি লিখেছেন তিনি। প্রথমে এই দ্বিতীয় পোস্টের কমেন্ট বক্স অন করা ছিল, সেখানে তার তোষামোদকারীরা “অপূর্ব হয়েছে, এরকম মোক্ষম ভাষাতেই জবাব দিতে হয়” বলে কমেন্ট করলেও বিরোধী কমেন্ট আসতেই তিনি কমেন্ট বক্স বন্ধ করে দেন। যদিও কমেন্ট করতে পারছেন না তো কী হয়েছে হাহা রিঅ্যাক্ট দিতে ছাড়েননি নেটিজেনরা।





“রাজনীতিতে তারকার খ্যাতি নয়, আদর্শ থাকা জরুরি!” “প্রত্যেককে নিরাপত্তা দেবে এমন একজনই হোক মুখ্যমন্ত্রী!” রাজনীতিতে তারকাদের ভূমিকা ও নির্বাচনে আদর্শহীন প্রার্থীদের নিয়ে অকপট লগ্নজিতা চক্রবর্তী!