আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে কে নেতৃত্ব দেবেন সেই নিয়ে শুরু হয়েছিল জল্পনা। অনেকেই বলছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতির পদ থেকে সম্ভবত দিলীপ ঘোষকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে তাই দিলীপবাবু আগামী বছর নির্বাচনে বিজেপিকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন না। যদিও আজ বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয় সংবাদ মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছেন যে এই জল্পনা একেবারেই মিথ্যা। এরকম কোন ব্যাপার নেই। দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে আগামী বছর বিজেপি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে লড়তে চলেছে।
আজ সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কৈলাস বিজয়বর্গীয় জানিয়েছেন যে বিজেপি রাজ্য সভাপতি পদ থেকে দিলীপ ঘোষকে সরিয়ে দেওয়া হবে এই সংক্রান্ত সংবাদগুলি বিভ্রান্তিকর এবং মিথ্যা। কয়েকদিন আগেই বাংলার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম খবর প্রকাশিত করতে থাকে যে সম্ভবত কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রাজ্য বিজেপির সভাপতির পদ থেকে দিলীপ ঘোষকে অপসারণ করতে চলেছে কারণ পশ্চিমবঙ্গ যুব মোর্চা কমিটি গঠনসহ বিভিন্ন ব্যাপারে দলের অন্দরে যে সমস্যা দেখা দিচ্ছে তা নাকি সামলাতে ব্যর্থ দিলীপ ঘোষ।
যদিও কৈলাস বিজয়বর্গীয় আজ স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন যে এই খবর ছড়ানো হচ্ছে কারণ কোনো রাজনৈতিক অভিসন্ধি রয়েছে এর পিছনে এবং পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি রাজ্য সভাপতি হিসাবে দিলীপ ঘোষকে নিয়েই আগামী বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করবে তাকে সরিয়ে দেওয়ার কোন প্রশ্নই নেই।
রাজ্য বিজেপি–র সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু এদিন বলেন, ‘প্রথম মেয়াদ শেষ করে এই নিয়ে পরপর তিনবার নির্বাচিত হয়েছেন দিলীপদা। তাঁকে অপসারণের কোনও প্রশ্নই আসে না।’
এদিকে গত বুধবার দিলীপ ঘোষ ঘনিষ্ঠ সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) পদ থেকে সরিয়ে দেয় কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবং সেই জায়গায় নিয়ে আসা হয় অমিতাভ চক্রবর্তীকে। আবার সপ্তমীর দুপুরে এক নির্দেশিকায় যুব মোর্চার সমস্ত জেলা কমিটি ভেঙে দেন দিলীপ ঘোষ। ফলে দিলীপ ঘোষ এবং রাজ্য বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি সৌমিত্র খাঁর দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে চলে আসে। এই কারণেই জোর জল্পনা উঠেছিল দিলীপ ঘোষকে আর হয়তো রাজ্য বিজেপি সভাপতি পদে দেখা যাবে না কিন্তু সেই জল্পনা যে একেবারেই মিথ্যা তা আজ স্পষ্ট করে জানিয়ে দিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয় স্বয়ং।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার