অনুব্রত মণ্ডলের অনুগামী বিকাশ রায় চৌধুরীকে এবার সরিয়ে ফেলা হল বীরভূমের জেলা পরিষদের সভাধিপতি পদ থেকে। বীরভূমের ‘বাঘ’ এখন গরু পাচার কাণ্ডে তিহাড় জেলে বন্দি। আর তাঁর অনুপস্থিতিতে ধীরে ধীরে যে বীরভূমের রাজনৈতিক সমীকরণ পাল্টে যাচ্ছে, তা বলাই বাহুল্য। অনুব্রতর অনুগামীদের হাত ক্রমেই ক্ষমতা সরে যাচ্ছে। তবে কী এবার কেষ্টর প্রভাব শেষের পথে? তেমন প্রশ্ন ওঠাও অস্বাভাবিক কিছু না।
কাজল শেখ ও অনুব্রত মণ্ডলের মধ্যেকার দ্বন্দ্ব সর্বজনবিদিত। আর গরু পাচার মামলায় অনুব্রত গ্রেফতার হওয়ার পরও তাঁকে সকলেই মেনেই চলত। কিন্তু ধরে ধীরে সেই ছবিটা পালটাচ্ছে। আর এরই সুযোগে পাকাপোক্ত হচ্ছে কাজল শেখের জায়গা।
আজ, বুধবার জেলার মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ, ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় সহ জেলার সমস্ত তৃণমূল বিধায়করা সিউরির দলীয় কার্যালয় থেকে ঢাক ঢোল বাজিয়ে জেলা পরিষদে ঢোকেন। তাঁদের সঙ্গে কাজল শেখও উপস্থিত ছিলেন।
এদিন দলের কর্মীদের মুখে ফের শোনা যায় কাজলের নামে জয়ধ্বনি। বিদায়ী সভাধিপতি বিকাশ রায়চৌধুরীর নাম ক্রমেই ম্লান হতে শুরু করেছে। বিরোধীদের দাবী, নব ও প্রবীণদের নিয়ে গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে। এখন বীরভূমের রাজনীতিতে একটা প্রশ্নই ঘোরাফেরা করছে, তাহলে কি অনুব্রত জামানা শেষের পথে?





