চৈত্রমাস কেটে গেলেও দেখা নেই কালবৈশাখীর, শেষ ফেব্রুয়ারিতে বৃষ্টি দেখেছিল কলকাতাবাসী, দাবদাহ থেকে রেহাই দিতে আসছে মরশুমের প্রথম কালবৈশাখী

দিনদিন যেন উত্তরোত্তর বেড়েই চলেছে গরম। রাতেও কোনও স্বস্তি নেই। ছাতা, রোদ-চশমা ছাড়া বাইরে বেরোনোই দায়। গ্রীষ্মের এই দাবদাহ থেকে বাঁচতে এখন সকলেই দিন গুনছে কালবৈশাখীর। কিন্তু গোটা চৈত্রমাস কেটে গেলেও দেখা মেলেনি কালবৈশাখীর। ভ্যাপসা গরমে সেদ্ধ হওয়ার জোগাড় দক্ষিণবঙ্গের মানুষের।

তবে উত্তরবঙ্গে ভালোই বৃষ্টি হচ্ছে। সেখানে ঝড়বৃষ্টির জেরে প্রাণহানিও হয়েছে। কোচবিহারে মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। ভেঙেছে একাধিক বাড়িঘর। উড়ে গিয়েছে ঘরের চাল। কিন্তু দক্ষিণবঙ্গের মানুষ একফোঁটা বৃষ্টির আশায় হাপিত্যেশ করে চেয়ে রয়েছে আকাশের দিকে।

শেষ কলকাতাবাসী বৃষ্টি দেখেছিল গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি। এরপর আর বৃষ্টি হয়নি। তবে এরই মধ্যে সুখবর শোনাল আবহাওয়া অফিস। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামীকাল অর্থাৎ ২০শে এপ্রিল থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা শুরু হবে। এর সঙ্গে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়াও।

আগামীকাল থেকেই স্বস্তির মুখ দেখবে দক্ষিণবঙ্গের মানুষ। এই পূর্বাভাসের হাত ধরেই রাজ্যবাসী সাক্ষী থাকবে এই মরশুমের প্রথম কালবৈশাখীর। ঝাড়খণ্ডে ক্রমেই জোরালো হচ্ছে ঘূর্ণাবর্ত। মালভূমিতে জলীয় বাষ্প পৌঁছবে। আর এর জেরেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাতেই হবে বৃষ্টি।

অন্যদিকে হাওয়া অফিসের তরফে এও জানানো হয়েছে যে পশ্চিমের নানান জেলায় যে তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি ছিল, তা আর থাকবে না। সব মিলিয়ে মোটামুটি বুধবার থেকে শুরু করে সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকেই বিকেলের দিকে দক্ষিনবঙ্গে তাপের দাপট কমতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। আর নামতে পারে বৃষ্টি, সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া।

RELATED Articles