আর জি করের ঘটনায় রাজ্যের নানান প্রান্তে চলছে বিক্ষোভ-আন্দোলন। নানান স্তরের মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ দেখাচ্ছেন। প্রতিদিনই শহরের কোথাও না কোথাও কোনও না কোনও আন্দোলন কর্মসূচি থাকছেই। আগে হলে এই ধরণের মিছিল বা আন্দোলনের জন্য পুলিশের অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। কিন্তু আর জি করের ঘটনার পর তেমনটা হচ্ছে না বলেই অভিযোগ কলকাতা পুলিশের।
গত একমাস ধরে শহরের নানান প্রান্তে প্রায় প্রতিদিনই কোনও না কোনও প্রতিবাদ কর্মসূচি থাকছে। এই কর্মসূচির জন্য অনেকেই পুলিশের অনুমতি নিচ্ছে না বলে অভিযোগ। সামনে পুজো আসছে। ফলে এই ধরণের আন্দোলনের জন্য পরবর্তীতে কোনও অনুমতি না নেওয়া হলে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তা নিয়েই এবার চিন্তাভাবনা শুরু করল কলকাতা পুলিশ।
লালবাজারের বক্তব্য, সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা কোনও পোস্ট দিয়েই আন্দোলন কর্মসূচি হচ্ছে রাস্তায়। এর জেরে রাস্তার গতি কমছে। যানজট বাড়ছে। কর্মস্থলে পৌঁছতে অসুবিধায় পড়ছেন অনেকেই। পুলিশের দাবী, এই বিষয়ে অনেকেই তাদের ইমেল করে অভিযোগ জানিয়েছেন। ফলে এবার থেকে অনুমতি না নিয়ে যদি মিছিল বা আন্দোলন করা হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তা চিন্তাভাবনা শুরু করল পুলিশ।
প্রতিবাদ আন্দোলন দমানোর চেষ্টা পুলিশের?
পুলিশের তরফে এও স্পষ্ট করা হয়েছে যে মিছিল বা আন্দোলন করা যাবে না, তেমনটা কিন্তু একেবারেই বলা হচ্ছে না। তবে অনুমতি ছাড়া যদি মিছিল বা আন্দোলন করা হয়, তাহলে তা নিয়ে কী করা যায়, তা ভেবে দেখছে পুলিশ। অনুমতি না নিয়ে আন্দোলন করলে বাস্তবে আসলে পুলিশ কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেটাই দেখার।
আরও পড়ুনঃ ‘আর জি কর নিয়ে কোনও মন্তব্য নয়, যা বলার আমি বলব…,’, মন্ত্রিসভার বৈঠকে কড়া নির্দেশ মমতার
বলে রাখি, এদিনই আবার স্বাস্থ্য ভবন অভিযানের ডাক দিয়েছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। সেখানেও দেখা যায় উত্তেজনা। স্বাস্থ্য ভবনের আগেই তাদের আটকে দেওয়া হলে রাস্তায় বসে অবস্থান বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন তারা। নিজেদের দাবীতে তারা অনড়। তাদের দাবী পূরণ না হলে তারা আন্দোলন থামাবেন না। এমনই নানান আন্দোলন করছেন সাধারণ মানুষও। কিছু আন্দোলনে থাকছে না অনুমতি। এবার দেখার এই বিষয়ে পুলিশ ঠিক কী সিদ্ধান্ত নেয়।





