Covid19 Crisis: লকডাউন শুধু সংক্রমন কমিয়ে দিচ্ছে কিন্তু পেটের জ্বালা, তা কি উপশম হচ্ছে!

করোনার করাল গ্রাসের শিকার গোটা দেশ। এমত অবস্থায় সংক্রমন রুখতে লকডাউনকেই একমাত্র উপায় বলে বেছে নিয়েছে প্রশাসন। জরুরি পরিষেবা ছাড়া বাকি সব কিছু বন্ধ। কিন্তু দিন আনা, দিন খাওয়া মানুষজনের পেটের জ্বালা কি কমাতে পেরেছে এই লকডাউন। সংক্রমনের ভয় জেনেও খিদের জ্বালা নিবারণে রাস্তায় নামতে হচ্ছে তাদের। তাদের মধ্যেই কিছু মানুষের বাসস্থান আমাদের বাড়ির ঠিক নীচে ফুটপাতে কিংবা ওই গলির মোড়ের পায়রার খোপে। তারা আমাদের ভার বহন করে নিজেদের শরীর দিয়ে। তাদের আবার অনেকে কলকাতার আইকন বলে।তারা হল কলকাতার হাতে টানা রিক্সা চালক।

উত্তর কলকাতার অলিতে গলিতে আজও মানুষ দু পা হাঁটতে না পারলে বা দোকান থেকে অন্য দোকানে মাল আনা-নেওয়া করতে গেলে রিক্সা চালকদের হাঁক পারে। আজকের দিনে প্যাডেল রিক্সা, মোটার রিক্সার থাকলেও টিকে রয়েছে এই রিক্সাগুলি। শ্যামবাজার, শোভাবাজার, বড়বাজার, কলেজস্ট্রিট এলাকায় আজও ঘোরে এই রিকসারা।

তবে এই রিক্সা চালকদের চূড়ান্ত কায়িক পরিশ্রমের মূল্য তাদের না জুটলেও রোজ কিছু আয় তো হয়েই যেত। লকডাউনের জেরে এখন সেটাও বন্ধ। সরকার তাদের সাহায্য করছে ঠিকই, কিন্তু তাতে কি আর মাসভর জীবন চলে। তাই অগত্যা পুলিশের চোখ এড়িয়ে দিনের একটা সময় রিক্সা নিয়ে রাস্তায় বের হচ্ছেন তাঁরা।

কলেজস্ট্রিট এলাকার এক রিক্সা চালক হরিরাম বলছেন, “আগে তাঁর দিনে ১৪০-১৯০ টাকা আয় হয়ে যেত কিন্তু এখন তো কাজই বন্ধ। তবুও রাস্তায় বের হচ্ছি। অনেকে বাজার করে বাড়ি ফিরছেন রিক্সায় চেপে। অনেকে দোকান থেকে দোকানে মাল পৌঁছে দিচ্ছেন।”

করোনার আশঙ্কাকে উপেক্ষা করে এরা নিজেদের জীবন সংগ্রাম লড়ে চলেছে। জানেনা সুদূর ভবিষ্যতে কি অপেক্ষা করছে কিন্তু আজ লড়ে জিতলে কালকে সকাল দেখতে পাবেন সেও আশায় বুক বেঁধেছে এরা।

RELATED Articles

Leave a Comment