লকডাউনে বনগাঁর আদিবাসী অধুষ্যিত মুড়িঘাটার বাসিন্দাদের ঘরবন্দি রাখতে অন্য ফন্দি করলেন উত্তর ২৪ পরগনার আরটিও বোর্ডের সদস্য গোপাল শেঠ। ঘোষণা করলেন, গ্রামে করোনা প্রবেশ করতে না পারলে সব মহিলা পাবেন নতুন শাড়ি।
দেশ ও রাজ্যের পরিস্থিতি জানা সত্ত্বেও প্রতিদিনই কিছু মানুষ রাস্তায় বের হচ্ছে। এমনই বনগাঁর আদিবাসী অধুষ্যিত মুড়িঘাটার বাসিন্দারা। লোকমুখে হয়তো শুনছেন করোনার নাম, কিন্তু অনুমানও করতে পারছেন না ভয়াবহতা। তাই নিয়মিত হাটে-বাজারে ভিড় জমাচ্ছেন গ্রামবাসীরা ব্যবসার জন্য। এই খবর কানে যেতেই নড়েচড়ে বসেন উত্তর ২৪ পরগনার আরটিও বোর্ডের সদস্য গোপাল শেঠ। চাল, ডাল, তেল, লবন নিয়ে ওই গ্রামে হাজির হন গোপাল বাবু। প্রায় ৪০০ আদিবাসী পরিবারের হাতে তুলেদেন খাদ্যসামগ্রী। সকলকে বোঝান যে কীভাবে করোনা সংক্রমিত হয়। এরপরই লকডাউনে গ্রামবাসীদের ঘরে আটকে রাখতে ফন্দি আঁটেন তিনি। বলেন, ‘আপনারা যদি সচেতন থাকেন, এই ক’দিন ঘরে থাকেন তাহলে কোনও ভাবেই কেউ করোনা আক্রান্ত হবেন না। আর যদি কেউ আক্রান্ত না হন তাহলে প্রত্যেকে উপহার পাবেন নতুন শাড়ি। কিন্তু একজনের শরীরেও যদি ভাইরাস মেলে তাহলেই কেউ শাড়ি পাবেন না।’ সমস্বরে ঘরে থাকতে রাজি হয়ে যান সকলে। গোপালবাবুর এই অভিনব উদ্যোগ বেশ প্রশংসা পেয়েছে সবমহলে।





