শুক্রবার সাতসকালেই দারুণ অ্যাকশন মোডে দেখা গিয়েছে ইডি। এদিন সকাল সকাল একসঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী, বিধায়ক ও পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যানের বাড়ি অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই তল্লাশি নিয়ে ফের একবার বিজেপিকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। এমনকি, শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি কেন তল্লাশি চালানো হচ্ছে না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
এর আগে রাজ্যের একাধিক তৃণমূল নেতা-মন্ত্রী যেমন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মদন মিত্র, ফিরহাদ হাকিম, মানিক ভট্টাচার্য, ও আরও অন্যান্যদের বাড়ি তল্লাশি অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। নানান দুর্নীতিতে এই মুহূর্তে জেলবন্দি পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অনুব্রত মণ্ডল, মানিক ভট্টাচার্য, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও আরও একাধিক তৃণমূল নেতারা।
এসবের মধ্যেই আজ, শুক্রবার সকালে রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু, বরানগরের বিধায়ক তাপস রায় ও উত্তর দমদমের পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যানের বাড়ি হানা দেয় ইডি আলাদা আলাদা দল। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতেই এই অভিযান বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারীর এও অভিযানকে বিজেপির চক্রান্ত বলেই দাবী তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষের।
কী বললেন কুণাল?
কুণালের কথায়, “সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বিজেপির নিদের্শে হচ্ছে। বিজেপি নেতারা তাঁদের প্রতিদ্বন্দ্বীদের লিস্ট পাঠিয়ে দিচ্ছে ইডি-সিবিআইকে। তারপর তল্লাশি হচ্ছে। মানুষের মনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে নেতীবাচক ধারণা তৈরির চেষ্টা চলছে”। কুণাল এও প্রশ্ন তোলেন যে এসআইআরে নাম থাকা সত্ত্বেও শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি কেন তল্লাশি করা হচ্ছে না!
এদিকে, এই তল্লাশি অভিযান প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “চোরেদের বাড়িতে ইডি যাবে। অয়ন শীলের বাড়িতে যে হার্ড ডিস্ক ও তালিকা পাওয়া যায় তার পরিপ্রেক্ষিতে সিবিআই হাই কোর্টে কেস করে। তার পরিপ্রেক্ষিতে আলাদা করে মামলা হয়। এখন পুরনিয়োগ মামলায় ইডি-সিবিআই তল্লাশি করছে। সিবিআই যাদের সঙ্গে কথা বলে তথ্য পেয়েছে এবার তাঁদের কাছে ইডি”।
শুভেন্দুর দাবী, সুজিত বসু পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে সরাসরি যুক্ত। কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “শীতের পোশাক সঙ্গে নিন”।





