বর্তমানে তাঁর পরিচয় একজন রাজনীতিবিদ হলেও, তাঁর সাংবাদিক দিক বা লেখনীর হাতকে কিন্তু অগ্রাহ্য করা যায় না কোনও মতেই। গতকাল, বৃহস্পতিবার টাকি বয়েজ স্কুলের প্রেক্ষাগৃহে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের নতুন বই প্রকাশিত হল। নাম ‘পথের বাঁকে এসে’। বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে বেশ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেন কুণাল।
কী বললেন এদিন কুণাল?
এদিন এই অনুষ্ঠানে বেশ পরিচিত মেজাজেই দেখা গেল কুণালকে। এদিন তাঁর এই বই প্রকাশের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী ও নাট্যকার ব্রাত্য বসু, রাজ্যের আর এক মন্ত্রী শশী পাঁজা, সাহিত্যিক প্রচেত গুপ্ত, সাংবাদিক অনিন্দ্য জানা প্রমুখ। সকলের সামনেই বেশ আবেগপ্রবণ হয়ে কুণাল বলেন, “ছোট হতে পারি, কিন্তু রাজার মেজাজে থাকব। মৃত সৈনিকের পার্ট আমাকে দিয়ে করানো যাবে না। আমাকে পড়ে যেতে দেখেছেন কয়েকজন। উত্থান গোটা পৃথিবীকে দেখিয়ে ছাড়ব। ঈশ্বর যেন শক্তি দেন। তাঁর কাছে প্রার্থনা এই জোর যেন থাকে”।
এদিন নারী ও শিশুকল্যাণ এবং শিল্পমন্ত্রী শশী পাঁজা বললেন, “বাস্তব কঠিন। তার মুখোমুখি হওয়াই কেবল নয়, তা লোকের সামনে তুলে ধরার সাহস যদি কারও হয়, তিনি অবশ্যই কুণালদা”।
কুণালের বই প্রকাশের অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, “কোনও কোনও সাহিত্যিক পারেন সাহিত্যে সংবাদকে আনতে। আবার কোনও সাংবাদিক সংবাদ পরিবেশনে সাহিত্য নিয়ে আসেন। তাই পড়তে পড়তে সংশয় হয় এ কি সাংবাদিকের ভাষা? নাকি সাহিত্যিকের? তার পর বুঝি এটা আসলে কালেক্টিভ কনশাসনেস। মন, হৃদয়, স্মৃতি”।
বইপ্রকাশ অনুষ্ঠানের শেষে কুণাল ঘোষ জানালেন, তাঁর এই নতুন বই তাঁর চলার পথের দলিল। সাংবাদিক জীবনের নানান ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে শুরু করে রাজনীতিবিদদের সঙ্গে নানান অভিজ্ঞতার কথাই এই বইতে রয়েছে বলে জানান কুণাল। বলেন, “অনেক ঘটনা তৃপ্তি দিয়েছে। অনেক ঘটনা রক্তাক্ত, ক্ষত-বিক্ষত করেছে। এই সবের বর্ণনা রয়েছে বইয়ে”।





