ফের নতুন করে চোখ রাঙানো শুরু হয়েছে করোনার। হদিশ মিলেছে করোনার নয়া প্রজাতি জেএন.১-এর। আর এই আতঙ্কের মধ্যেই এবার রাজ্যে করোনা আক্রান্তের খোঁজ মিলল। নতুন করে করোনা থাবা বসিয়েছে রাজ্যের ৫ জনের শরীরে। এর মধ্যে ৩ জন ভর্তি হাসপাতালে। এই তিনজনের মধ্যে আবার রয়েছে এক ৬ মাসের শিশুও।
স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে খবর, ৬ মাসের শিশুটি ভর্তি রয়েছে মেডিক্যাল কলেজে। বিহারের বাসিন্দা ওই শিশু। মেনিনজাইটিস ও নিউমোনিয়া সংক্রমণ নিয়ে প্রথমে শ্রীরামপুর ওয়ালশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাকে। কিন্তু পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হওয়ায় গত মঙ্গলবার মেডিক্যাল কলেজে আনা হয় ওই শিশুকে।
আর বাকি দু’জন ভর্তি শহরের দুই বেসরকারি হাসপাতালে। এদের মধ্যে একজন হৃদরোগী আর অন্যজন ম্যালেরিয়ার সংক্রমণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। তাদের জ্বর-সর্দির উপসর্গ থাকায় করোনার আরটিপিসিআর পরীক্ষা করানো হয়। এরপরই ধরা পড়ে করোনা সংক্রমণ।
স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডা. সিদ্ধার্থ নিয়োগীর কথায়, “করোনা নেই, এমনটা কখনই বলা হয়নি। তবে এই তিন জনের মধ্যে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট আছে কি না জানতে জিনোম সিকুয়েন্সিং দরকার”। মেডিক্যালের অধ্যক্ষ ডা. ইন্দ্রনীল বিশ্বাস বলেন, ‘‘ট্রপিক্যালে পরীক্ষার রির্পোট পজিটিভ হয়েছে। স্বাস্থ্য ভবনকেও জানানো হয়েছে। আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে”।
সম্প্রতি কেরলে ধরা পড়েছে করোনার নয়া প্রজাতি জেএন.১-এর। ইতিমধ্যেই কেরলের দশজন এই নতুন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত। মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের। ফলে ভয় ধরা এই নয়া ভ্যারিয়েন্ট। করোনার এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে, এমনটাই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে সমস্ত রাজ্যেই চিঠি পাঠানো হয়েছে সতর্কতা অবলম্বন করা নিয়ে। অনেকেই এই নতুন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হতে পারে।
এরপরই রাজ্য জুড়ে কোভিডের উপর নজরদারি আরও বাড়ানো হয়। এতেই পাঁচ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ে। যে তিনজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে, তাঁদের সোয়াবের নমুনা ইতিমধ্যেই জিনোম সিকোয়েন্সিং-এর জন্য পাঠানো হয়েছে বলে খবর। নবান্নের বৈঠকের পর বুধবার পর্যন্ত রাজ্যের নানান সরকারি স্বাস্থ্যক্ষেত্রে মোট ১৯৩ জনের আরটিপিসিআর টেস্ট করানো হয়েছে।





