“শুভেন্দু থাকবেন না, বিজেপিও থাকবে না!” – বিস্ফোরক দাবি কুণাল ঘোষের

এখনও এক বছর বাকি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের। কিন্তু তার আগেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়ে গেছে জল্পনা। শাসক তৃণমূল (TMC) ও প্রধান বিরোধী দল বিজেপি (BJP)– দু’পক্ষই এখন থেকেই নিজেদের শক্তি বৃদ্ধিতে ব্যস্ত। তৃণমূল শাসন টিকিয়ে রাখতে মরিয়া, আর বিজেপি ক্ষমতা দখলের স্বপ্ন দেখছে। অন্যদিকে, কংগ্রেস ও বামফ্রন্টও নিজেদের অস্তিত্ব বজায় রাখতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় আসন সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়েছে বিজেপি। ২০২১ বিধানসভা ভোটে ভালো ফল করলেও তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এখনও প্রধান বিরোধী দল হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাকাপোক্ত করতে মরিয়া বিজেপি নেতৃত্ব। অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাইছেন চতুর্থবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদে ফিরতে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন বাংলার রাজনীতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।

এই রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ বুধবার দাবি করলেন, ২০২৬ সালের ভোটের পর বিজেপি আর বাংলায় প্রধান বিরোধী দল হিসেবে থাকবে না। তিনি বলেন, “বিরোধী দলনেতা পদটাই থাকবে না। বিজেপি-কে হারিয়ে তৃণমূলই আবার ক্ষমতায় ফিরবে।” কুণালের এই বক্তব্যে নতুন করে আলোড়ন পড়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

আরও পড়ুনঃ আকাশের চোখ রাঙানি! ঝড়-বৃষ্টি-শিলাবৃষ্টির হুঁশিয়ারি, তুষারপাতের সম্ভাবনা দার্জিলিঙে

শুধু বিজেপি বিরোধী দল হিসেবে থাকবে না, তাই নয়, কুণাল ঘোষ দাবি করেন, শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম থেকে বিধানসভা ভোটে হেরে যাবেন। তিনি বলেন, “লিখে রাখুন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার মুখ্যমন্ত্রী হবেন, নন্দীগ্রাম থেকে শুভেন্দু অধিকারী পরাজিত হবেন।” তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, বিজেপির জনপ্রিয়তা ক্রমশ কমছে, তাই ২০২৬ সালে তাদের প্রধান বিরোধী দল হিসেবেও টিকে থাকা কঠিন হবে।

এই মন্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার কটাক্ষ করে বলেন, “কুণাল ঘোষ কী বললেন, তাতে আমাদের কিছু যায় আসে না। উনি সারদার ব্যাপারে আগে যা বলেছিলেন, এখন উলটো বলেন।” বিজেপির দাবি, তারা বাংলায় ক্ষমতা দখলের জন্য শক্তিশালী পরিকল্পনা নিয়েছে। ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র তরজা শুরু হয়েছে।

Khabor24x7 Desk

আরও পড়ুন

RELATED Articles