দুর্গাপুজো বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব। এই সময়টা সকলেই নিজের মতো করে নতুন রঙে সেজে ওঠে। দৈনন্দিন জীবনের একঘেয়েমি কাটিয়ে নিজের সাধ্যমতো নতুন সাজে সাজিয়ে তোলে নিজেকে। তাহলে লোকাল ট্রেনের ক্ষেত্রেও তেমনটা কেন হবে না? এবার পুজোতে লোকাল ট্রেনেও লাগবে নতুনত্বের ছোঁয়া।
কী ঘটতে চলেছে?
জানা গিয়েছে, বাঙালির সবথেকে বড় উৎসবে বারাসাত ডিপোয় লোকাল ট্রেনের কামরা এবার নানান বর্ণের চিত্রে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। রেলের নানান ঐতিহ্য থেকে শুরু করে জনজীবনের নানান টুকরো টুকরো ছবি, গ্রামীণ পরিবেশ সবই ফুটে উঠবে ওই ছবিতে। শুধু কী তাই? এবার পুজোয় নতুন ধরণের এলইডি আলোতেও ঝলমল করবে লোকাল ট্রেনের কামরা। ট্রেন রক্ষণাবেক্ষণের ডিপোগুলিতে ইতিমধ্যেই এই নিয়ে প্রস্তুতি তুঙ্গে।
কোন কোন ডিপোয় চলছে প্রস্তুতি?
লোকাল ট্রেন রক্ষণাবেক্ষণের জন্য শিয়ালদহে চারটি ডিপো রয়েছে। প্রাথমিকভাবে নারকেলডাঙা, বারাসত, সোনারপুর ও রানাঘাট এই চারটি ডিপোয় এক জোড়া করে লোকাল ট্রেনকে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সব ক’টি শাখাতেই চলবে এই ট্রেন। এই নিয়ে কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে।
যে রাজ্যে আঞ্চলিক উৎসব যে সময় পালিত হবে সেই জোনের মধ্যে চলাচলকারী ট্রেনগুলি আলোয় সাজানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাঙালির দুর্গোৎসব প্রধান উৎসব। আর সেই উৎসবে প্রাধান্য পাবে এই লোকাল ট্রেনে নতুন ধরনের আলোকসজ্জা।
কোথায় কেমন আলো লাগানো হবে?
জানা গিয়েছে, চালক ও গার্ডের ক্যাবগুলির উইন্ডোস্ক্রিন ঘিরে আলোকমালা ঘুরবে। এর নীচে ভারতীয় রেলকে স্মরণ করে তা আলো দিয়ে লেখা থাকবে। ট্রেনের বাফারের আদলে সামনে ও পিছনে দুটি বলয়াকৃতি দুটি নীল আলো জ্বলবে। হাওড়ার লোকাল ত্রেঙ্গুলিতেওএই একই ভাবে আলো দিয়ে সাজানো হবে বলে জানা গিয়েছে।
এই বিষয়ে শিয়ালদহের জনসংযোগ আধিকারিক সহকারী কমার্শিয়াল ম্যানেজার হরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় জানান, “উৎসবে আলোকমালায় স্টেশন ও আনুষঙ্গিক বহু কিছু সাজানো হয়। এবার লোকাল ট্রেনেও আলোর বাড়তি সজ্জা থাকবে। নান্দনিক দৃষ্টিভঙ্গি রেখে ডিপোগুলিতে তারই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে”।





