বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলেও চলে প্রাক্তনীদের ‘দাদাগিরি’, যাদবপুরের ঘটনার পরই কড়া পদক্ষেপ নিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলে প্রাক্তনী ও বহিরাগতদের দাদাগিরি নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্য ও রাজনীতি উত্তাল। প্রথম বর্ষের ছাত্র স্বপ্নদীপ কুণ্ডুর মৃত্যুর নেপথ্যে প্রাক্তনীরাই রয়েছে বলে অভিযোগ। এরই মধ্যে এবার এই একই ধরণের চিত্র দেখা গেল বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়েও। সেখানেও দেখা গেল পাশ করার পরও হোস্টেলে জাঁকিয়ে বসে রয়েছে প্রাক্তনীদের দল। একথা সামনে আসতে এবার কড়া নির্দেশ দিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

কী নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ?

জানা গিয়েছে, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলগুলিতে ছাত্রদের থেকেও আবাসিকের সংখ্যা অনেকটাই বেশি। আর তার জন্য দায়ী মূলত পাশ করে যাওয়ার পরেও সেখানে রয়ে যাওয়া প্রাক্তন পড়ুয়ারা। যাদবপুরের ঘটনার পরই এই বিষয়ে নড়েচড়ে বসল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

জানা গিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে ঘটনার বিষয়ে রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে। বহিরাগত কেউ যদি হোস্টেলে থাকে, তাহলে আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে তাদের হোস্টেল খালি করার নির্দেশ দিয়ে গতকাল, মঙ্গলবার একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন রেজিস্ট্রার। এর পাশাপাশি র‍্যাগিং আটকাতেও তৎপর হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সূত্রের খবর, বেশ কয়েক বছর ধরেই বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও বেশ কিছু টুকরো টুকরো র‍্যাগিংয়ের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। কিন্তু কোনও পড়ুয়া কখনও এই নিয়ে অভিযোগ না করায় বিষয়টি বারবার ধামাচাপা পড়ে যায়।

তবে সম্প্রতি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনার পর শিক্ষা দফতরের তরফে অ্যান্টি র‍্যাগিং কমিটির সুপারিশ কার্যকর করার জন্য নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে রাজ্যের নানান উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে। আর এরপরই এই নিয়ে কড়া হল নানান কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষগুলি। সেই তালিকা থেকে বাদ নেই বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ও।

RELATED Articles