তাঁর দলনেত্রীই স্বীকার করেছেন যে তিনি ‘কালারফুল’। বেশ রঙ-বেরঙেরই জীবন তাঁর। আর এই রঙিন জীবনকে আরও রঙিন বানাতে গিয়েই বিপদ ঘটিয়ে ফেললেন তিনি। আহত হয়ে গেলেন হাসপাতাল। তবুও তাঁর উৎসাহে কোনও ভাটা পড়ল না। ফেসবুকে লাইভে এসে নিজের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে আবার তোপ দাগলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকেও।
এদিন ফেসবুক লাইভে বেশ উৎফুল্লই দেখা যায় মদন মিত্রকে। চোখে রোদচশমা থাকলেও ডান চোখে ছিল গজ ও তুলো। এমন অবস্থাতেও কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। বলেন, “এখন রাত ১২:০০ টা বাজে। আমি এই মাত্র মেডিকেল কলেজ থেকে বেরিয়ে আসছি। এখনও পর্যন্ত মেডিকেল কলেজের অফিসে বসে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুপার। মমতা মেডিকেল কলেজের জন্য যা করে গেছে তারপর আগামী ২৫ বছরের কিছু করতে হবে না”।
নিজের চিকিৎসার বিষয়ে তিনি বলেন, “আমি চাইলে যে কোনও বেসরকারি নার্সিংহোমে যেতেই পারতাম। কিন্তু না, মানুষ যেভাবে চিকিৎসা করায় আমিও সেভাবেই করাতে চেয়েছি। কিছু দিন আগেই আমার স্ত্রীর অপারেশন হয়েছে পিজি হাসপাতালে। আমি সাধারণ মানুষের মধ্যেই থাকতে চাই”।
এসবের মধ্যেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকেও তোপ দাগতে ছাড়লেন তিনি কামারহাটির বিধায়ক। তাঁর কথায়, “ডিএ নিয়ে যে আন্দোলন চলছে সেটা অনৈতিক। শুভেন্দু গিয়ে তাঁদের সমর্থন করছেন। ওর তো অনেক টাকা। ও দিক না কেন্দ্রীয় হারে ডিএ। ওর বাড়িতে তো কোটি কোটি টাকা লুকোনো রয়েছে। তার আগে ওর যে ফোরফাদার গ্র্যান্ড ফাদার আমাদের পাওয়া টাকা দিক। টাকা পেলে আমরা নিশ্চয়ই দেব”।
সাগরদিঘি উপনির্বাচনের ফলাফল নিয়েও বিস্ফোরক মন্তব্য করে মদন বলেন, “শুভেন্দু বলছে এই জোটটাই থাকুক। তাহলে তোরা স্বীকার করলি যে সিপিএম কংগ্রেস এবং বিজেপি মিলে একসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধয়ায়ের পিছনে লাগছিস। তোদের আর কোনও কাজ নেই। তোর ক্ষমতা থাকলে আর একটা বিধানসভা জিতে দেখিয়ে দে। তোর সাহস থাকলে আর একটা বিধানসভায় এসে দেখা”।





