তিনি প্রভাবশালী একজন নেতা তো বটেই, জনসমক্ষে তাঁর পরিচিতি বা খ্যাতি অস্বীকার করা যায় না। তিনি দলের ‘কালারফুল’ নেতা। একসময়ের মন্ত্রী ছিলেন তিনি। তবে চিটফান্ড কাণ্ডে নাম জড়ানোর পর জেলের কাটাতে হয়েছে বেশ কিছুদিন। তবে মন্ত্রিত্ব আর ফেরত পাওয়া হয়নি মদন মিত্রের (Madan Mitra)।
দল ভরসা করে তাঁকে বিধানসভা নির্বাচনের টিকিট দেয়। আর সেই ভরসা রেখেওছেন তিনি। কামারহাটি থেকে জিতে বিধায়ক হয়েছেন মদন মিত্র। তবে এবার কী তিনি রাজনীতি থেকে দূরে সরে আসতেই চাইছেন? অন্তত তাঁর কথার মাধ্যমে যেন এমনই কিছু আভাস মিলল। কিছুদিন আগেই বরাহনগরের বিধায়ক তাপস রায়ও রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।
সংবাদমাধ্যমে মদন মিত্র বলেন, “২০২৬ সালের পর আর নির্বাচনে লড়াই করব কিনা তা নিয়ে ভাবতে হবে। আমাকে দেখেই তো নতুন প্রজন্ম শিখবে। আমি নিজেকে নিজের মতো গুছিয়ে নিচ্ছি ধীরে ধীরে। বয়সের ভার হয়ে যাচ্ছে। যা না পাওয়ার ছিল সেটা না পাওয়াই থাক। আশি কেজি ওজন হয়ে গেছে। এটা ঠিক নয়”।
‘কালারফুল’ বিধায়কের কথায়, “আপাতত ২০২৬ সাল পর্যন্ত তো বিধায়ক আছি। তারপর কী কব, তা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। সকলকেই ভাবতে হবে যে আর ভোটে লড়াই করা উচিত কি না। নাকি তাঁর জায়গায় অন্য কারও দাঁড়ানো উচিত। আমার থেকে ভালো আর কেউ আছে কি না। আমি নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে গিয়ে অনেকের থেকেই শুনেছি যে আমি ১১ বারের বিধায়ক। আমার খারাপ লাগে। সেটা না করে ছেলে, নাতি এঁদের সুযোগ দিলে ভালো হত। এটা মেসি বলবে না। অনেক দিন তো হল”।
বলে রাখি, কিছুদিন আগেই বরাহনগরের বিধায়ক তাপস রায়ও রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়া ইঙ্গিত দেন। রাজনীতিতে বয়সসীমা বেঁধে দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছিলেন তিনি। এবার মদন মিত্রের কথার ভাঁজেও উঠে এল রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়া ইঙ্গিত। আগামীদিনে তিনি কী করবেন, এখন সেটাই দেখার।





