‘খুবই অন্যায় হয়েছে’, মলয় ঘটকের বাড়িতে সিবিআইয়ের তল্লাশি প্রসঙ্গে অনুব্রত, জেলে বসেই দিলেন হুঙ্কার

তারা দুজনেই তৃণমূলের (TMC) প্রথম সারির নেতা। একজন আইনমন্ত্রী, তো একজন জেলা তৃণমূল সভাপতি। তবে ফারাক এই যে একজন গরু পাচার মামলায় (cattle smuggling case) রয়েছেন জেলের মধ্যে, আর একজনের বাড়িতে কয়লা পাচার মামলায় (coal smuggling case) হানা দিয়েছে সিবিআই। আইনমন্ত্রী মলয় ঘটকের (Moloy Ghatak) বাড়িতে এভাবে সিবিআই (CBI) হানা প্রসঙ্গে অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mandal) জানান যে এই কাজ খুবই অন্যায়।

মন্ত্রী মলয় ঘটকের বাড়ি সিবিআইয়ের হানা ও তল্লাশির প্রসঙ্গে কড়া সমালোচনা করলেন কেষ্ট। মলয় ঘটকের বাড়ি এভাবে তল্লাশি করাকে অন্যায় বলে দাগলেন গরু পাচার কাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া অনুব্রত মণ্ডল। আসানসোলের জেলে বসেই এই  বিষয়ে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “খুবই অন্যায় হয়েছে”।

বলে রাখি, আসানসোল সিবিআই বিশেষ আদালতে অনুব্রত মণ্ডলের জামিনের আর্জি নাকোচ হয়ে গিয়েছে। ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজত হয়েছে তাঁর। এর আগে যে ১৪ দিন তিনি জেল হেফাজতে ছিলেন, এই সময় অনুব্রত ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের সম্পর্কে একাধিক তথ্য পেয়েছে সিবিআই। অনুব্রত মণ্ডলের নামে ও বেনামে বিপুল সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। সেই তথ্যের উপর ভিত্তি করেই ফের আরও ১৪ দিনের জেল হেফাজত দেওয়া হয়েছে কেষ্টকে।

এদিকে, গতকাল, বুধবার সকালেই মলয় ঘটকের আপকার গার্ডেনের দুটি বাড়ি ও চেলিডাঙার পৈতৃক বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই। উপস্থিত ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীও। ছিলেন মহিলা আধিকারিকও। তবে তল্লাশির সময় মলয় ঘটক বাড়ি ছিলেন না। ছিলেন তাঁর স্ত্রী। তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

কয়লা পাচার কাণ্ডে শুধু সিবিআই-ই নয় তদন্ত চালাছে ইডিও। আগামী ১৪ই সেপ্টেম্বর মলয় ঘটককে তলব করেছে ইডি। জুলাই আমসেও একবার তাঁকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু সেই হাজিরা এড়িয়ে যান তিনি। এবার ১৪ তারিখ হাজিরা দেওয়া আগেই তাঁর বাড়িতে পৌঁছল সিবিআই। তিনি ১৪ই সেপ্টেম্বর হাজিরা দেন কী না, এখন সেটাই দেখার।

এই তল্লাশি প্রসঙ্গে মলয় ঘটকের ছেলে অভিজিৎ ঘটক বলেন, “সিবিআই কোনও সার্চ ওয়ারেন্টই দেখাতে পারেনি। আমি আইনজীবী। আমার বাবা, দাদু, দাদা সকলেই আইনজীবী। আইনের বিষয়টা আমরা ভালো করেই বুঝি। মধ্যবিত্ত ও সচ্ছল পরিবারে যা যা সম্পত্তি থাকার কথা, তাই রয়েছে। সেইসব কিছু খতিয়ে দেখে সিবিআই। তারপর বেরিয়ে যায়”।

RELATED Articles