রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ফুসফুসের সমস্যা নিয়ে এই মুহূর্তে হাসপাতালে ভর্তি। সামান্য শারীরিক উন্নতি হয়েছে তাঁর। তাঁকে নিয়ে এবার বেশ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। গতকাল, রবিবার ফ্যাশন শো থেকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বুদ্ধদেববাবুর সঙ্গে নিজের স্মৃতির কথা বলেন তিনি। এদিন রাতেই বুদ্ধদেববাবুকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়ক। তাঁর কথায়, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য আজকের প্রজন্মের ‘রোল মডেল’।
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর অসুস্থতার খবরে রাজনীতি ভুলে একজোট হয়েছেন সমস্ত রাজনৈতিক দলের নেতারা। সর্বদা তাঁর খোঁজখবর রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের নানান নেতা-মন্ত্রীরাও খোঁজ রাখছেন বুদ্ধদেববাবুর। গতকাল, রবিবার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী, নওশাদ সিদ্দিকি, মদন মিত্র।
বুদ্ধদেববাবু সম্পর্কে কী জানান মদন মিত্র?
গতকাল, রবিবার ইস্টার্ন মেট্রোপলিটান ক্লাবে এক ফ্যাশন শো’য়ে অংশ নিয়েছিলেন মদন মিত্র। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলে মদন মিত্রকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়। তাতে ছোট্ট একটি কবিতার মাধ্যমে আবেগ প্রকাশ করেন তৃণমূল বিধায়ক।
মদন এদিন বলেন, ”বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সম্পর্কে বলতে গিয়ে একটা কথাই বলা যায়, এ সমাজে হায়/ সব পাওয়া যায় ভাড়া/ শুধু সোজা, নির্ভীক/ শিরদাঁড়া ছাড়া। তাঁর সেই শিরদাঁড়া আছে। আর আজকের প্রজন্মের যাঁরা রাজনীতি করছেন, বুদ্ধবাবুকে দেখে তাঁদের বোঝা উচিত, সকলে শিরদাঁড়া বিক্রি করে রাজনীতি করে না। তিনি এই প্রজন্মের রোল মডেল”। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য শাসনকালে তৃণমূল নেতাদের কীভাবে বিপদের মুখে পড়তে হয়েছিল, সেও উল্লেখ করেছেন মদন। তবে বুদ্ধদেববাবুর জন্য তাঁর শ্রদ্ধার জায়গা যে অটুট, তাও জানান তিনি।
এদিন বামপন্থীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে জ্যোতি বসুর প্রসঙ্গও তোলেন মদন মিত্র। বলেন, “এই জন্যই বামপন্থীরা শ্রদ্ধার। নিজেদের আদর্শ থেকে একচুলও সরেন না। জ্যোতি বসু জানতেন, দল বদলালে তিনি হয়ত প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। কিন্তু তবু আদর্শ কখনও বিসর্জন দেননি। বুকে লাল পতাকা নিয়েই চলে গিয়েছেন।“





“উত্তম কুমারের ছেলের সঙ্গে দেবলীনার বিয়ে হয়েছে” রাসবিহারীর দলীয় প্রার্থী দেবাশিস কুমারের মেয়েকে নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে শোরগোল!