তাঁকে নিয়ে বিতর্কের কমতি নেই। দলনেত্রীর কথায় তিনি ‘কালারফুল’। তাই নিজের রঙিন জীবনকে আরও রঙিন করে তুলতে মাঝেমধ্যেই নানান ঘটনা ঘটিয়ে থাকেন তিনি। এই যেমন হুট করে দ্বিতীয় বিয়ে সেরে ফেললেন তিনি। আর তা নিয়ে রাজ্যে তুমুল শোরগোল। মদন মিত্রের পাত্রী আসলে কে, তা জানতে বেজায় উৎসুক রাজ্যবাসী। বিয়ের আসরে পানপাতা সরতেই সামনে এল সত্যিটা।
শুক্রবার রাত থেকেই চাউর হয় মদন মিত্রের বিয়ের। দ্বিতীয়বার বিয়ে করছেন তিনি। বিয়ের জন্য নিজের জন্য লাল পাঞ্জাবি, হবু বউয়ের জন্য লাল বেনারসি কেনেন তিনি। বলেওছিলেন, “দুটো বউ ছাড়া চলবে না, তাই আবার বিয়ে করছি”। কথা মতোই হল কাজ। বিয়েটা সেরেই ফেললেন কামারহাটির বিধায়ক।
বিয়ের আসরে লাল টুকটুকে পাঞ্জাবি পরে হাজির হলেন ‘কালারফুল’ নেতা। মাথায় পাগড়ি আর চোখে সানগ্লাস পরে নিজের অবতারে দেখা মিলল মদনের। এদিকে লাল বেনারসি, ওড়না, মুকুট, মালা, কপালে চন্দনের কলকা পরে পুরোদস্তুর বিয়ের কোণে সেজে হাজির পাত্রীও। কিন্তু কে সে? পানপাতা সরতেই দেখা গেল, অন্য কেউ নন, বরং মদন মিত্রের স্ত্রী অর্চনা মিত্র। সকলের সামনে মালাবদল সেরে দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন এই জুটি।

এদিন বিয়ে সেরে উঠে মদন জানান যে মাত্র ১৮ বছর বয়সে তাঁর বিয়ে হয়েছিল। তাঁর কথায়, “মেয়েদের তো বোঝাতেই পারছি না যে আমি বিয়ে করে ফেলেছি। মেয়েদের ভালোলাগার সেই চাপ থেকে মুক্ত হতেই এদিন আবার বিয়ে করলাম। বহু বিবাহ একদিকে খারাপ নয় যদিও। বৌদ্ধধর্মে এক সময় এমনটা হত”।
পরক্ষণেই আবার বলে ওঠেন, “কিছুক্ষণের জন্য ভালোলাগলে ঠিক আছে। কিন্তু পরকীয়া ঠিক নয়। এমনিতেই রাজ্যে কিছু হলে প্রথম আমিই কেস খাই”।
কিন্তু এভাবে হঠাৎ বিয়ে করার কারণটা কী? ‘কালারফুল’ বিধায়কের কথায়, “আমি এখন বেকার। দেখলাম হাতে অনেক সময়ে রয়েছে তাই বিয়ে করে নিলাম আবার”।

এর আগে জি বাংলার ‘দিদি নম্বর ওয়ান’-এ স্ত্রী অর্চনা মিত্রের সঙ্গে হাজির হয়েছিলেন মদন মিত্র। সেখানে তাদের জুটির বেশ প্রশংসা করেন সঞ্চালিকা রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই শো-তে মদন মিত্র জানিয়েছিলেন কীভাবে ছাত্রী পড়াতে গিয়ে তাঁকেই পটিয়ে নিজের পাত্রী করে নেন।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!