প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শুভেন্দু অধিকারীর অনুগামী হিসাবে মালদহের রাজনীতিতে পরিচিত শেখ ইয়াসিন। তাঁর স্ত্রী মালদহ জেলা পরিষদের তৃণমূল সদস্য। বুধবার রাতের দলবদলে হাজির ছিলেন মালদহ জেলা পরিষদের আরও এক তৃণমূল সদস্যের স্বামীও। ফলে মালদহ জেলা পরিষদের ভাঙনের সম্ভাবনা কার্যত সময়ের অপেক্ষা।
তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে এ বার মালদহে যে দু’টি বিধানসভায় লোকসভার নিরিখে তৃণমূল ভালো ফল করেছিল তার অন্যতম রতুয়া। ফলে এ বারের বিধানসভায় মালদহে রতুয়া আসন তৃণমূলের জেতার প্রবল সম্ভাবনা ছিল। যদিও রাজনৈতিক ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এ দিনের দলবদলে তৃণমূলের অনেকটাই শক্তি হ্রাস হল।
বিগত বছরের ডিসেম্বরে একদা তৃণমূলের দাপুটে নেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরে শেখ ইয়াসিনের দলবদল সম্পর্কেও জল্পনা তৈরি হয়েছিল। যদিও সেই সময় দলবদলের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেন শেখ ইয়াসিন। এমনকি মালদহ জেলা পরিষদে তৃণমূল সদস্যদের বৈঠকেও বারবারই হাজির হয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী।মালদহের রতুয়ায় স্থানীয় বিধায়ক মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে বারবার বিবাদে জড়িয়েছেন এই শেখ ইয়াসিন। এই বিধানসভায় তৃণমূলের টিকিটের দাবিদার ছিলেন ইয়াসিন।
সূত্রের খবর, রতুয়া বিধানসভায় টিকিটের দাবি করে বেশ কিছুদিন ধরেই দলীয় নেতৃত্বের ওপর চাপ বাড়াচ্ছিলেন ইয়াসিন। সদলবলে কলকাতা গিয়েও টিকিটের দাবি করেন তিনি। কিন্ত, তৃণমূলের তরফে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়নি। এরপরেই শতাধিক জনপ্রতিনিধি নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে বিজেপি সদর দফতরে হাজির হয়ে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন তিনি। তৃণমূল জেলা কো-অর্ডিনেটর হেমন্ত শর্মা বলেন, ইয়াসিন তৃণমূলের থাকার সময় বিজেপি তাঁকে দুষ্কৃতি বলত, আর এখন তাঁদের কাছে ও সমাজসেবী হয়ে গেল। বিজেপিকে এর জবাব দিতে হবে।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার