মহিলাদের স্বনির্ভর করতে রাজ্য সরকারের তরফে চালু করা হয়েছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। এই প্রকল্পে প্রতি মাসে রাজ্যের মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৫০০ টাকা করে জমা পড়ে। আর তফশিলি জাতির মহিলারা পান ১০০০ টাকা। তবে এবার ঘটল এক অদ্ভুত কাণ্ড। মহিলা নয়, এবার এক পুরুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকল লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা। আর এমন অবিশ্বাস্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধীর মধ্যে জোর তরজা শুরু হয়েছে।
ঠিক কী ঘটেছে ঘটনাটি?
ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহারের মাথাভাঙার পচাগড় গ্রাম পঞ্চায়েতের বরাবর এলাকায়। সেখানকার বাসিন্দা মনোরঞ্জন দে। কিছু দিন আগে তিনি লক্ষ্য করেন যে তাঁর অ্যাকাউন্টে হিসাব বহির্ভূত টাকা ঢুকেছে। তা দেখে বেশ সন্দেহ হয় তাঁর।
বিষয়টি জানিয়ে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। পরে খোঁজ নিলে জানতে পারেন আসল ঘটনা। জানা যায়, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকাই ঢুকেছে তাঁর অ্যাকাউন্টে। একজন পুরুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে কীভাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ঢুকল, তা ভেবে নিজেই তাজ্জব বনে যান ওই ব্যক্তি। তাঁর দাবী, এ বিষয়ে কিছুই জানেন না তিনি।
শুরু শাসক-বিরোধী তরজা
এক পুরুষের অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ঢোকা নিয়ে কোচবিহারের রাজনীতিতে বেশ চাপানউতোর শুরু হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক দল তৃণমূলকে আক্রমণ করতে ছাড়ে নি বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের দাবী, “তৃণমূল নানা সরকারি প্রকল্পের নামে বরাবর দুর্নীতি করে। এটি তারই উদাহরণ”।
যদিও তৃণমূল পরিচালিত পচাগড় গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান দাবী করেছেন যে তিনি বিষয়টি সম্পর্কে কিছুই জানেন না। এই গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেই আশ্বাস দেন তিনি।





“উত্তম কুমারের ছেলের সঙ্গে দেবলীনার বিয়ে হয়েছে” রাসবিহারীর দলীয় প্রার্থী দেবাশিস কুমারের মেয়েকে নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে শোরগোল!