Mamata Banerjee about Abhishek Banerjee: খুব ছোটো বয়সেই যে তাঁর রাজনীতিতে হাতেখড়ি হয়েছে, একথা তিনি নিজেই জানিয়েছেন। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ধীরে ধীরে রাজনীতির ময়দানে নিজের জমি শক্ত করেছেন। তিনিই দলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। যে কোনও নির্বাচন সে বিধানসভা হোক, লোকসভা হোক বা পঞ্চায়েত নির্বাচন, সবক্ষেত্রেই নিজের ছাপ ফেলতে সিদ্ধহস্ত তিনি। দলের বড় দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। তাহলে কী তৃণমূলের উত্তরসূরি তিনিই? এমন প্রশ্ন আসা অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু দলের জন্মদাত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী বলছেন এই বিষয়ে (Mamata Banerjee about Abhishek Banerjee)? আগামীতে দলের সব দায়ভার কী তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতেই যাবে?
সম্প্রতি এক বেসরকারি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই নিজের রাজনৈতিক জীবন থেকে দলের ভবিষ্যৎ সব বিষয়েই কথা বলেন তিনি। সেখানেই উঠে আসে তৃণমূলের উত্তরসূরির প্রসঙ্গ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কী দলের যোগ্য উত্তরসূরি? এই প্রশ্নের জবাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee about Abhishek Banerjee) বলেন, সেই বিষয়টা দল ঠিক করবে। তবে তিনি এও জানাতে ভোলেন না যে অভিষেকের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা তৈরি হয়েছে।
অভিষেকের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি (Mamata Banerjee about Abhishek Banerjee) বলেন, “অভিষেক দলের একজন একনিষ্ঠ সৈনিক। ছোট্টবেলা থেকে আমি ওকে তৈরি করেছি। বাম আমলে এক রাজনৈতিক কর্মসূচিতে আমাকে হাজরায় মার খেতে হয়েছিল। তখন ছোট অবস্থায় হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে বলত, দিদিকে মারলে কেন সিপিএম জবাব দাও। তখন থেকেও ওর রাজনৈতিক মনন তৈরি হয়েছিল। কলেজ পাশ করার পর থেকে সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে আসে”।
তৃণমূলের অন্দরে এখন কান পাতলেই শোনা যায় নবীন-প্রবীণ দ্বন্দ্ব। বিগত কিছুমাস ধরেই এই নিয়ে দলের মধ্যে বেশ বড় আকারের মনোমালিন্য যে চলছে, তা কারোর অজানা নয়। এই নিয়ে মমতা ও অভিষেকের (Mamata Banerjee about Abhishek Banerjee) মধ্যেও ঠাণ্ডা যুদ্ধের খবর মিলেছিল। যদিও সেই তত্ত্ব একেবারেই উড়িয়ে দিয়ে মমতা বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে এরকম কোনও সমস্যা নেই। বরং বিজেপির কেউ কেউ এমন একটি ধারণা মানুষের মধ্যে তৈরি করার চেষ্টা করে চলেছে”।
তবে মমতা এও বলেন, রাজনীতিতে তরুণ প্রজন্মের (Mamata Banerjee about Abhishek Banerjee) দরকার রয়েছে। এই প্রসঙ্গে তিনি দেবাংশু ভট্টাচার্য থেকে শুরু করে সায়নী ঘোষ, সম্প্রতি রাজনীতিতে যোগ দেওয়া রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করেন। তাঁর কথায়, তিনি তিনটি প্রজন্ম তৈরি করে দিতে পেরেছেন। বেশ আশাবাদী হয়েই তৃণমূল নেত্রী বলেন, “আমি চাই ওরা ভালভাবে তৈরি হোক। নতুন প্রজন্মকেও দরকার। আমি তিনটে প্রজন্ম তৈরি করে দিয়েছি। আমি যদি প্রজন্ম তৈরি না করি, তাহলে আমার স্বপ্নের তৃণমূল কংগ্রেসকে কে রক্ষা করবে”।





