চা বাগান খোলার পাশাপাশি বিশেষে জরুরি ভিত্তিতে আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে ট্যাক্সি সার্ভিস চালু করা হবে বলে জানাল রাজ্য সরকার। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “লকডাউন ভাঙা যাবে না। এই ভাইরাস বাড়ছে। তবে হোম ডেলিভারির মাল পৌঁছে দেওয়ার জন্য কিছু কিছু জায়গায় ট্যাক্সির ব্যবস্থা করছে রাজ্য সরকার। আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে এটা হয়ে যাবে। ২ জন করে ট্যাক্সিতে যেতে পারবেন।” লকডাউন নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বণিক সংগঠনগুলিকে এগিয়ে আসতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “আপনারা এক-একটা বাজারের দায়িত্ব নিন এক-একজন, সচেতন করার দায়িত্ব নিন।”
মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, চা বাগানগুলি খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। রোটেশন করে ১৫ শতাংশ কর্মীকে কাজ করানো যাবে। চা পাতা কাটার জন্য-ই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১৫ শতাংশ কর্মী নিয়ে তিনটি শিফটে কাজ চালাতে পারবে তারা। তবে যথাযথ স্যানিটাইজিং আবশ্যিক বলে সতর্ক করে দেন মুখ্যমন্ত্রী।
বিগ বাজার, অ্যামাজন সহ বিবিধ অনলাইন সংস্থা নিজেদের ডেলিভারি বয় কাজে লাগিয়ে স্থানীয় স্তরে পণ্যসামগ্রী ডেলিভারি করতে পারবে। এই বিষয়ে স্থানীয় পুলিস তাদের সহযোগিতা করবে বলেও জানান মমতা।
উল্লেখ্য, ১৪ এপ্রিলের পর লকডাউনের সময়সীমা বাড়ানো হবে কিনা সেই বিষয়ে কেন্দ্র এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি। তবে এদিন মুখ্যমন্ত্রী নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে জানান, “লকডাউন হয়তো থাকবে। কিন্তু মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে কী করে সেটাকে পালন করা যায়, সবার কথা ভেবে সেটা আমাদের ভাবতে হবে। ১৫ তারিখের পর লকডাউন মনে হয় বাড়বে। সেটা কেন্দ্রীয় সরকার যা সিদ্ধান্ত নেবে, আমরা সেক্ষেত্রে সহযোগিতা করে চলব।”
উল্লেখ্য রাজ্যে বর্তমানে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৩ জন। মৃত তিন। দেশে আক্রান্তের সংখ্যাটা ৫৮০০ ছাড়িয়েছে। মৃত ১৬৯ জন।





