নানান প্রকল্পে টাকা দিচ্ছে না কেন্দ্র সরকার (Central Government)। বারবার কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ এনেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। আর এবার সেই প্রতিবাদ গিয়ে পৌঁছেছে ধর্না মঞ্চ পর্যন্ত। আজ থেকে ৩০শে মার্চ পর্যন্ত ৩০ ঘণ্টার ধর্নায় বসেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
আজ, বুধবার বেলা ১২টার সময় ধর্না মঞ্চে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে তাঁর সঙ্গে রয়েছেন ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, অরূপ বিশ্বাস, শশী পাঁজা, ইন্দ্রনীল সেন ও আরও অনেকে। এই ধর্না মঞ্চ থেকেই কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে ফের আক্রমণ শানান তিনি।
শুধু তাই-ই নয়, এদিন ডিএ আন্দোলনকারীদের তোপ দেগে মমতা বলেন, “যে চোর ডাকাতগুলো চিরকুটে চাকরি পেয়েছিল সব গিয়ে ডিএ-র ওখানে বসে রয়েছে। তাঁদের কাছে আমায় জ্ঞান শুনতে হবে? সব চোর-ডাকাত। আর বড় বড় কথা বলছে বিজেপির গুণ্ডারা”।
এই ধর্না প্রসঙ্গে মমতা বলেন, “আমি তো এর আগেও ধর্নায় বসেছিলাম। রাজীব কুমারকে যখন তাঁর বাড়িতে গিয়ে গ্রেফতার করার চেষ্টা করা হয়েছিল তখনও তো আমি ধরনায় বসেছিলাম। আমি কেন জয়ললিতাও বসেছিলেন ধর্নায়। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বসেছিলেন। আমি তো তবু পার্টির ব্যানারে করছি। দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের টাকা আটকে রাখা হয়েছে। তাদের টাকা আদায় করার জন্য আমি একবার নয় আমি এক কোটি বার ধর্নায় বসব। ওদের কী করার ক্ষমতা আছে আমি দেখতে চাই”।
বিজেপিকে তোপ দেগে মমতার বার্তা, “এখন ওরা আমাদের কিসব ২৭ নম্বর ধারা দেখাচ্ছে। বলছে আমার ইচ্ছা হলে আমি সব বন্ধ করে দিতে পারি। তুমি আমাদের উপর ২৭ নম্বর ধারা প্রয়োগ করেছ আমি তোমাদের বিরুদ্ধে জনগণকে দিয়ে প্রয়োগ করাব ৪২০ নম্বর ধারা। আগামীদিন ২০২৪ সালে তোমরা আসবে না। নিশ্চিন্তে থাকো। যতই চেঁচাও তোমরা আসবে না”।
এরপর নানান সরকারি প্রকল্পের খতিয়ান তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা একশো দিনের কাজে আমরা পাঁচবার পরপর ভারতবর্ষে প্রথম হয়েছি। কেন্দ্রীয় সরকারের অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি। রাস্তা-সড়ক গ্রামীণ উন্নয়নের কাজে পরপর চারবার আমরা নম্বর ওয়ান দেশের মধ্যে। আবাস যোজনায় পরপর আমরা নম্বর ওয়ান। ১৭টা জাতীয় পুরস্কার পেয়েছি। ইউনেস্কো, ইউনাইটেড নেশনসেরও অনেক পুরস্কার পেয়েছি”।






