ফিরতে চাইলে ফিরতে পারেন, বাংলা জিতে দলবদলুদের ওপেন ইনভিটেশন মমতার

দলবদলু তকমা জুটেছে তাদের। বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের কয়েক মাস আগে থেকেই ক‌ইয়ের ঝাঁকের মতো হঠাৎ করে দলবদল শুরু হয়।  কাল বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর এক প্রকার তৃণমূলের কাছে ধরাশায়ী হয়ে বিজেপির প্রদেশ অধ্যক্ষ নিজেদের হারের জন্য এই দুর্নীতিগ্রস্ত দলবদলুদের দায়ী করেন। বাংলার মানুষ তৃণমূলের বি টিমে পরিণত হওয়া বিজেপিকে ‌ যে পছন্দ করেনি তা ভোটের ফলাফলেই প্রমাণিত।

একের পর এক নেতা দল ত্যাগ করলে প্রকাশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাদের বিশ্বাসঘাতক, গদ্দার বলে হাঁকিয়েছেন‌। শুভেন্দু, রাজীব, রুদ্রনীল, হিরণ, বৈশালী, জিতেন্দ্র একাধিক বড় বড় নাম দলবদলে বিজেপিতে গিয়েছিল ‌। বেশিরভাগই জেতেনি। উল্টে বিজেপির বোঝায় পরিণত হয়েছে।

আরও পড়ুন-৫ই মে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ৬ই মে বিধায়করা, জানালেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়

যে দলে একদা ছিলেন সেই দলের বিরোধী পক্ষ হিসেবে লড়াই করাটা বেশ চাপের। আর তাই ফের পুরনো ঘরে ফেরার তোরজোর শুরু হয়ে গেছে।

আর এবার নির্বাচনে বিপুল সাফল্য পাওয়ার পরও দলত্যাগীদের প্রতি উদারতা দেখালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  বললেন,ফিরতে চাইলে সকলকেই দলে স্বাগত জানাবেন বলে জানালেন তিনি।

নির্বাচন চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন সভা থেকে তিনি বলেছিলেন গদ্দার মুক্ত হলো তৃণমূল। যারা যেতে চাইছে তাদের যেতে দাও। কিন্তু এবার পুরনো সতীর্থদের ঘরে ফেরার ডাক দিলেন খোদ বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।

আরও পড়ুন- ফল বেরোতেই শুরু তৃণমূলের গুন্ডারাজ, কাঁকুড়গাছিতে পুলিশের সামনেই বিজেপি নেতাকে খুন, পিটিয়ে খুন পোষ্যকেও

প্রসঙ্গত, কাল তৃণমূল জেতার পর থেকেই রাত্রি শুরু হয়েছে ভোট পরবর্তী হিংসা‌ এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় আক্রমণ নেমে এসেছে বিজেপি নেতা, কর্মী থেকে জয়ী-পরাজিত প্রার্থীদের উপর। যার জন্য ইতিমধ্যেই রাজ্যপালের দ্বারস্থ হয়েছেন দিলীপ ঘোষ-মুকুল রায়। আজ সন্ধ্যেবেলা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সাক্ষাৎ হওয়ার কথা। সেখানে বিষয়টি উত্থাপন করবেন তিনি বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও অন্যান্য খবর