মুখ্যমন্ত্রী গদি ধরে রাখতে হলে উপনির্বাচনে জিততেই হবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ভোটের ফলাফল প্রকাশের ৬ মাসের মধ্যে এই উপনির্বাচন হওয়ার নিয়ম। আর সেই ৬ মাস শেষ হওয়ার দিকেই।
করোনা পরিস্থিতির কারণে এই উপনির্বাচন ক্রমশই পিছিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু এবার করোনা পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক। তাই তড়িঘড়ি উপনির্বাচনের জন্য কমিশনের কাছে আবেদন জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।
সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রে হবে এই উপনির্বাচন। এর মধ্যে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে মমতার ভোটে লড়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। তাই করোনা পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হতেই এই উপনির্বাচন আর ফেলে রাখতে চাইছেন না মুখ্যমন্ত্রী। এই কারণে দিল্লির জাতীয় নির্বাচন কমিশন ও কলকাতার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে দ্রুত উপনির্বাচন করানোর আর্জি জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আগামী ৩০ শে আগস্টের মধ্যে সকল রাজনৈতিক দলগুলোকে উপনির্বাচনের বিষয়ে জবাব দিতে বলেছে। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব না করে শীঘ্রই উপনির্বাচন করা উচিৎ। ছোট ছোট বিচ্ছিন্ন অঞ্চলে উপনির্বাচন হবে, তবে সে সব এলাকায় করোনা বেশি শক্তিশালী নয়”।
আরও পড়ুন- ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় সিবিআই তদন্ত, আক্রান্ত কর্মীদের সুবিচার পাইয়ে দিতে তৎপর বিজেপি
তাঁর কথায়, “মানুষের কাছে ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি বেছে নেওয়ার অধিকার রয়েছে। ৪ মাস অতিক্রম করে, বর্তমানে করোনা পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক। নির্বাচন কমিশনের কাছে এখন উপনির্বাচনের জন্য আবেদন করছি”।





