আজ, মঙ্গলবার দুপুরে ভয়াবহ বিস্ফোরণের জেরে কেঁপে ওঠে এগরার খানিকুল গ্রাম। বেআইনি বাজি কারখানায় ঘটে বিস্ফোরণ। এদিন বিকেলে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিস্ফোরণের জেরে মৃত ৫ জনের পরিবারকে ও আহতদের ৭ জনকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা করেছেন।
এই বিস্ফোরণ নিয়ে ইতিমধ্যেই সুর সপ্তমে চড়িয়েছে বিজেপি। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এই নিয়ে কটাক্ষ শানিয়েছে রাজ্য সরকারকে। অন্যদিকে, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই ঘটনায় এনআইএ-র তদন্তের দাবী তুলেছেন। এই বিষয়ে মমতা বলেন, “হোক না তদন্ত। আমার কোনও আপত্তি নেই”।
এদিন মমতা বিজেপির বিরুদ্ধে অন্য অভিযোগও তুলেছেন। তাঁর কথায়, ওই এলাকায় যে গ্রাম পঞ্চায়েত আছে সেটিতে মাস দুয়েক আগে একজন নির্দলকে প্রধান করে বোর্ড দখল করেছে বিজেপি। ওদেরও দেখা উচিত ছিল।
বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য এদিন বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী শিশুর সারল্য দেখাতে গিয়ে এমন কথা বলছেন যে লোকে শুনে হাসছে। দু’মাস আগে তো ওই পঞ্চায়েত তৃণমূলের ছিল, কী করছিল তারা? এটা কি পঞ্চায়েতের দেখার কাজ? পুলিশ ব্যাপারটাই তাহলে তুলে দিতে হয়”।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এগরার এই জায়গাটি ওড়িশা সীমান্ত লাগোয়া। তিনি বলেন, এই বেআইনি বাজি কারখানার মালিক গত বছরের ১৯শে অক্টোবর গ্রেফতার হয়েছিলেন। পরে তিনি কোর্ট থেকে জামিন পেয়ে যান।
বিজেপির কথায়, এই বাজি কারখানার মালিক তৃণমূল ঘনিষ্ঠ। এর পাল্টা মমতা বলেন, “তৃণমূলের লোক হলে আমাদের পুলিশ গতবছর গ্রেফতার করল কেন”? মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, এই ব্যক্তি বেআইনি বাজি বানিয়ে ওড়িশা ও বাংলাদেশে পাচার করে।
এগরার এই ঘটনায় সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এডিজি সিআইএফ জ্ঞানবন্ত সিংকে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন ওই ঘটনাস্থলে যাওয়ার। জানা গিয়েছে।, আজ, মঙ্গলবারই মন্ত্রী মানস ভুঁইয়ার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ওই ঘটনাস্থলে যাবে। কলকাতা থেকে আরও একটি দল আগামীকাল খাদিকুল গ্রামে যাবে বলে জানা গিয়েছে।





