মুখ্যমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন কেড়ছ নেওয়া হতে পারে নার্সিংহোমের লাইসেন্স। কিন্তু তারপরেও কথা শুনছেনা বাংলার নার্সিংহোম গুলি। ফের একবার স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড না নেওয়ার অভিযোগ উঠল নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, কার্ড দেখানোর পরেও সেই কার্ড নাকি নিতে চায়নি ওই নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ। কয়েকদিন আগেই দলীয় সভা থেকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর বলার পরেও ফের অভিযোগ সামনে আসায় ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
ঠিক কী অভিযোগ উঠেছে ওই নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে?
এক বাংলা সাংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, রোগীর পরিবারের অভিযোগ, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিতে চায়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ওই নার্সিংহোম দাবি করে জানায়, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বেধে দেওয়া রেটে চিকিৎসা করা অসম্ভব। সেইসঙ্গে ওই রোগীকে ভর্তি নেওয়াই তাঁদের ভুল হয়েছে বলেও জানায় তাঁরা।
তবে এই ঘটনা এই প্রথম নয়। স্বাস্থ্য সাথীর কার্ড রাজ্যে আসার পর থেকেই বিভিন্ন নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ সামনে এসেছে।
তবে সমস্ত স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানকেই যে এই নিয়ম মানতে হবে তা আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হুঁশিয়ারির সুরে মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, স্বাস্থ্যসাথী সব পরিবার পাবেন। স্বাস্থ্যসাথীতে ১০০-এর মধ্যে ১০০টাকাই সরকার দেবে। আমি নিজেও স্বাস্থ্যসাথীর মেম্বার। আপনার বাড়ির সকলেই এই কার্ডটায় চিকিৎসা পাবেন। অনেক হাসপাতাল আছে যারা স্বাস্থ্যকার্ড নিতে চায় না। আমরা মিটিং করে বলেছি, এই কার্ডটা নিতে হবে। যদি কেউ চিকিৎসা না দেয় তাহলে লাইসেন্স বন্ধ করার ক্ষমতা সরকারের কাছে আছে। মুখ্যসচিব সবার সঙ্গে বৈঠক করছেন।
কিন্তু এত ঘোষণা এত মিটিং-মিছিল, মুখ্যমন্ত্রীর সতর্কবাণীর পরেও এই ধরনের অভিযোগ সামনে আসতেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। শিলিগুড়ি থেকেও এমন অভিযোগ সামনে এসেছিল। কয়েকদিন আগেই স্বাস্থ্যসাথী প্রসঙ্গে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেছিলেন বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, স্বাস্থ্যসাথী আসলে তৃণমূলনেত্রীর অন্যান্য প্রকল্পগুলির মতই ভাওতাবাজি। এমনকি রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও নাকি হাসপাতালগুলির কাছে অনুরোধ করেছেন, ভোটের আগে কয়েকটা মাস কাউকে ফেরাবেন না। এরপরেই বিজেপি সাংসদের দাবি, স্বাস্থ্যসাথী নিয়ে ঝুলি থেকে বেড়াল বেড়িয়ে পড়েছে।





