সোমবার সাতসকালেই গুলিবিদ্ধ হয়ে খু’ন হন দক্ষিণ ২৪ পরগণার জয়নগরের তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি সইফুদ্দিন লস্কর। তাঁকে খু’ন করার অভিযোগ উঠেছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। যদিও তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লার দাবী, বিজেপি ও সিপিএমের আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই খু’ন করেছে তাঁকে। এই ঘটনার পরই রণক্ষেত্র হয়ে উঠল এলাকা।
তৃণমূল নেতার খু’নের পরই যেন আরও এক বগটুই হয়ে উঠল বামনগাছি গ্রাম পঞ্চায়েতের দলুয়াখাঁটি গ্রাম। সেখানে একের পর এক গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। দোকান, বাড়িঘর ভাঙচুর করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। এলাকা কার্যত এখন রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। এই ঘটনা মনে করাচ্ছে ২০২১-এ ঘটে যাওয়া রামপুরহাটের বগটুই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে।
জানা গিয়েছে, এলাকায় ইতিমধ্যেই পুলিশ পৌঁছেছে। তবে দমকলের গাড়ি এখনও পৌঁছতে পারে নি। আসলে গ্রামের রাস্তা অনুন্নত হওয়ায় দমকলের ইঞ্জিন পৌঁছতে দেরি হচ্ছে। জানা গিয়েছে, এলাকায় যারা মূল বিরোধী, তাদের বাড়িঘর টার্গেট করেই জ্বালানো হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, আজ, সোমবার কাকভোরে নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় খু’ন হয় তৃণমূল নেতা সইফুদ্দিন লস্কর। পাঁচজন দুষ্কৃতী তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন তৃণমূল নেতা। গুলির শব্দ শুনে ছুটে আসেন স্থানীয়রা।
জানা গিয়েছে, স্থানীয়রা এক দুষ্কৃতীকে ধরে ফেলেন। ঘটনাস্থলেই বেধড়ক মারধর করা হয় তাকে ক্ষিপ্ত জনতা পিটিয়ে মেরে ফেলে ওই দুষ্কৃতীকে। অন্য এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সুপার জানান, অভিযুক্ত জানিয়েছে যে সে খু’ন করেছে।
তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খু’ন করার পর থেকেই থমথমে রয়েছে ওই এলাকা। জয়নগর থানার পুলিশ বাহিনীও রয়েছেন সেখানে। মসজিদের সামনেই যেখানে সইফুদ্দিনকে গুলি করা হয়েছে সেখানে এখনও রয়েছে রক্তের দাগ। এরপরই এলাকার একের পর এক বাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।





