রাজ্য

মধ্যরাতে ভয়াবহ আগুন লাগল আসানসোল-দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদের অফিসে, অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই প্রচুর নথি

মাঝরাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড আসানসোল-দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদের অফিসে। প্রথমেই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ৬টি ইঞ্জিন। পরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৩-তে। হাইড্রলিক ল্যাডারও আনা হয়। আগুন খানিকটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে বটে তবে এখনও পুরোপুরি নেভে নি। কীভাবে এমন ভয়াবহ আগুন লাগল, তা এখনও জানা যায়নি।

গোটা ঘটনাটি কী?

জানা গিয়েছে, গতকাল সোমবার রাত ২টো ১০ নাগাদ আগুন লাগে দুর্গাপুরে ADDA-র কার্যালয়ে শৌচালয়ের কাছে। তা দেখতে পান কর্মীরা। এরপরই আতঙ্ক ছড়ায় সেখানে। তড়িঘড়ি দমকলে খবর দেওয়া হয়। প্রথমে ৬টি ইঞ্জিন এসে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।

তবে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় নিয়ন্ত্রণে আনতে অন্ডাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ল্যাডার আনা হয়। পানাগড়, রানিগঞ্জ থেকেও দমকলের ইঞ্জিন আনা হয়। কিন্তু তাতেও না হলে অন্ডাল বিমানবন্দর থেকে দমকলের ইঞ্জিন আনা হয়। মঙ্গলবার সকালে আগুনের তীব্রতা কমলেও আগুন সম্পূর্ণভাবে নিভে যায়নি বলে খবর।

এই অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে মাঝরাতেই ঘটনাস্থলে যান জেলাশাসক, আসানসোল-দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়, মহকুমাশাসক সৌরভ চট্টোপাধ্যায়-সহ সরকারি আধিকারিকরা। আগুন নেভাতে বেশ বেগ পেতে হয় দমকল আধিকারিকদের। অভিযোগ, আগুন লাগার জায়গায় কাছাকাছি কোনও জলাশয় এই। সেই কারণে আগুন নেভাতে সমস্যা হয়। কীভাবে আগুন লাগল, তা এড়িয়ে যান সরকারি আধিকারিকরা। বিষয়টি এখন তদন্তসাপেক্ষ।

দমকল বাহিনীর ডিভিশনাল আধিকারিক শুভ্রাংশু মজুমদার বলেন, “আগুন লাগার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনটে ইঞ্জিন আমরা পাঠাই। তারপর পানাগড় ও রানিগঞ্জ থেকে আরও দু’টো গাড়ি এসেছে। কীভাবে আগুন লাগল তা এখনও স্পষ্ট নয়। আগুন ভালোভাবেই অ্যারেস্ট করা সম্ভব হয়েছে। তবে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে বলতে পারব না”।

Back to top button
%d bloggers like this: