রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করার কোনও সুযোগই ছাড়ে না বামেরা (CPM)। বর্ধমানের কার্জন গেটের পর এবার বীরভূমের লোহাপুরে সম্মেলন ছিল বামেদের। সেখানেই ফের একবার শাসকদলকে আক্রমণ শানালেন সিপিএমের যুবনেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় (Minakshi Mukherjee)। বেশ হুঁশিয়ারির সুরেই তিনি বলেন, “সরকারি প্রকল্প থেকে সাধারণ মানুষের নাম বাদ দিলে হাত কেটে গলায় ঝুলিয়ে দেব”।
গতকাল, সোমবার ডিওয়াইএফআই-এর ২০তম বীরভূম জেলা সম্মেলন ছিল। এই উপলক্ষ্যে এদিন বিকেলে নলহাটি ২ ব্লকের লোহাপুর গরুর হাট সংলগ্ন মাঠে একটি জনসভার আয়োজন করা হয়। এই স্মমেলনেই বক্তৃতা রাখেন মীনাক্ষী। শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতি থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুট, সবই উঠে আসে মীনাক্ষীর বক্তব্যে।
শাসক দলকে শানিয়ে মীনাক্ষী বলেন, “চার দিকে সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। প্রতিবাদ করলে সরকারি প্রকল্প থেকে নাম বাদ দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সরকারি প্রকল্প কি তৃণমূল নেতাদের জমিদারির টাকায় হয় নাকি? সাধারণ মানুষের করের টাকায় হয় ওই সমস্ত প্রকল্প। সরকারি প্রকল্প থেকে নাম বাদ দিলে যে হাত দিয়ে নাম বাদ দেওয়া হবে, সেই হাতটাই আর শরীরের সঙ্গে যুক্ত থাকবে না। সেই হাতটাই ঝুলবে গলায়। তার ব্যবস্থা আমরাই করব”।
মীনাক্ষীর এই বিস্ফোরক হুমকির পর তৃণমূলের বিধায়ক তাপস রায় বলেন, “এ ভাবেই ওঁরা লোকসভা আর বিধানসভায় শূন্য হয়ে গেছে। এর পর আরও হবে”।
বলে রাখি, কিছুদিন আগেই বামেদের আইন অমান্য আন্দোলনকে ঘিরে বর্ধমানের কার্জন গেটে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে। দোকানপাট ভাঙচুর চালায় বামেরা। ভেঙে দেওয়া হয় বিশ্ব বাংলা লোগো। পুলিশ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গেও সংঘর্ষ হয় বামেদের। পুলিশকে ইট ছোঁড়া হয়। পাল্টা পুলিশ লাঠিচার্জ করে, কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোঁড়া হয়। আর এর কিছুদিন পরই মীনাক্ষীর এহেন বিস্ফোরক বক্তব্য।





