শৌচাগার থেকে বেরোনোর সময় পড়ে গিয়েছিলেন। ফলে পায়ে চোট পান। এক্স-রে করানোর প্রয়োজনে গিয়েছিলেন রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে। কিন্তু সেখানে গিয়ে পরিষেবাই পেলেন না রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী। এই নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন তিনি।
কী ঘটেছিল ঘটনাটি?
জানা গিয়েছে, গতকাল, মঙ্গলবার শৌচাগার থেকে বেরোনোর সময় পড়ে গিয়ে পায়ে চোট পেয়েছেন সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী। চিকিৎসকরা তাঁকে পরামর্শ দেন এক্স-রে করানোর। সেই কারণে এদিন সন্ধ্যের পর মেমারি গ্রামীণ হাসপাতালে গিয়েছিলেন মন্ত্রী। কিন্তু সেখানে গিয়ে পায়ের এক্স-রে হল না তাঁর।
হাসপাতালে গিয়ে মন্ত্রী জানতে পারেন যে নির্দিষ্ট সময়ের পর হাসপাতালে আর এক্স-রে নাকি হয় না। যা শুনে উষ্মা প্রকাশ করেন সিদ্দিকুল্লাহ। এত বড় হাসপাতালে রাতে এক্স-রে করার ব্যবস্থা নেই! এই শুনে বেশ ক্ষোভ দেখান তিনি। এক্স-রে না করেই ফিরতে হয় গ্রন্থাগার মন্ত্রীকে।
কী বললেন মন্ত্রী?
এই ঘটনা প্রসঙ্গে সিদ্দিকুল্লাহ বললেন, “একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর এক্স-রে হবে না এটা ঠিক নয়। আমার জানা ছিল না ওপিডি টাইমের পর এক্স-রে হয় না এখানে। তাহলে আসতাম না”। তাঁর কথায়, এক্স-রে একটা বড় বিষয়। এই পরিষেবা যাতে মানুষ সবসময় পেতে পারে তিনি এর ব্যবস্থা করবেন।
প্রসঙ্গত, এর আগে সরকারি হাসপাতালে পরিষেবা নিয়ে শাসক দলের নেতারাই নানান অভিযোগ তুলেছেন। রাজ্যের অন্যতম সেরা সরকারি হাসপাতাল এসএসকেএমে-র পরিষেবা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। আবার কিছুমাস আগেই এই এসএসকেএমের চিকিৎসকেরই ভুল চিকিৎসার জেরে পায়ে ইনফেকশন নিয়ে দীর্ঘদিন ভোগেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীর এই ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, “রাজ্যের মন্ত্রীরই এক্স-রে হাসপাতালে হচ্ছে না। ফিরে যেতে হচ্ছে। সেখানে সাধারণ মানুষের কি হাল হয় তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। যদিও শুরুতে উষ্মা প্রকাশ করলেও ফিরে যাওয়ার সময় আবার সিদ্দিকুল্লা বলেন, আমি চেষ্টা করবো যাতে মানুষের সুবিধার্থে রাতেও এক্স-রে করার ব্যবস্থা করা যায়। রাজ্যে ৪২টি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল আছে। ডাক্তারেরা ভালো পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করছেন”।





