রাজ্যে এখন এসএসসি ও টেট নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে বেশ চাপানউতোর পরিস্থিতি চলছে। এসএসসি দুর্নীতিতে একদিকে নাম জড়িয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর। এই দুর্নীতির জেরে পরেশ-কন্যা অঙ্কিতা অধিকারীর চাকরি বাতিল হয়েছে।
অন্যদিকে, টেট দুর্নীতির জেরে ২৬৯ জন প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। টেট নিয়োগ দুর্নীতির মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। আর এরই মাঝে সামনে এল টেট নিয়ে আরও এক দুর্নীতির ঘটনা। অভিযোগ, টেট পরীক্ষায় বসার অনুমতি দেওয়া হয়েছে এক নাবালককে। আর এর জেরে প্রশ্নের মুখে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ এক নাবালককে টেট পরীক্ষায় বসার অনুমতি দেয়। অভিযোগের এখানেই শেষ নয়। জানা গিয়েছে, পরবর্তীতে পরীক্ষায় পাশ করতে না পারলেও ২০১৭ সালে সেই নাবালককে চাকরির নিয়োগপত্রও দেওয়া হয়। সূত্রের খবর, খুব শীঘ্র এই বিষয়টি আদালতের সামনে আনা হতে চলেছে।
প্রসঙ্গত, যে নাবালকের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানে। অভিযোগ, ১৬ বছর ৯ মাস বয়সেই ওই নাবালক টেট পরীক্ষা দেয়। যে বয়সে তার নিজেরই স্কুলে পড়ার কথা, সেই বয়সে ছোটো ছোটো বাচ্চাদের কীভাবে পড়াতে পারে সে, এমন বিষয়ের দিকে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হবে বলে জানা যাচ্ছে।
সূত্রের খবর, টেট পরীক্ষায় পাশ না করতে পারলেও পরবর্তীতে ২০১৭ সালে ওই নাবালককে চাকরি দেওয়ার অনুমতিও দেওয়া হয়। তবে শুধুমাত্র ওই নাবালকই নয়, জানা যাচ্ছে, এমন অনেক নাবালককেই নিয়োগ করা হয়েছে। এই ঘটনায় যে টেট দুর্নীতি নিয়ে মামলার মোড় এক নতুন দিকে ঘুরবে, তা বলাই বাহুল্য। এই অভিযোগ আদালতে পেশ হলে, আদালত এই বিষয়ে কী প্রতিক্রিয়া জানায়, এখন সেটাই দেখার।






