সন্দেশখালি কাণ্ড নিয়ে তোলপাড় হচ্ছে রাজ্য-রাজনীতি। এই নিয়ে এবার নিজের প্রতিক্রিয়া জানালেন বিজেপির তারকা নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। অসুস্থ বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে দেখতে আজ, শুক্রবার কলকাতা আসেন তিনি। সেখানেই সন্দেশখালি নিয়ে মন্তব্য করেন তিনি।
কী বললেন মিঠুন চক্রবর্তী?
এদিন সুকান্ত মজুমদারকে হাসপাতালে দেখে বেরিয়ে আসার সময় সন্দেশখালি প্রসঙ্গে মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, ““সন্দেশখালিতে সত্যের বিস্ফোরণ ঘটছে। তা থামানো যাবে তো? সেখানে তো মহিলারাই সরব হচ্ছেন, প্রতিবাদ করছেন। এই সমবেত আওয়াজ যেন না থামে”।
সন্দেশখালি ঢোকার মুখে বারবার আটকানো হয়েছে বিজেপিকে। সরস্বতী পুজোর দিন সন্দেশখালি যাওয়ার পথে পুলিশের বাধা পান সুকান্ত মজুমদার। ধ্বস্তাধস্তি হয় পুলিশের সঙ্গে। পুলিশের গাড়িতে উঠে বিক্ষোভ দেখান তিনি। গাড়ি থেকে পড়ে গিয়ে পিঠে ও শিরদাঁড়ায় চোট পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।
বিজেপিকে এভাবে বারবার আটকানোর ঘটনায় মিঠুনের বক্তব্য, ““বাধা না দিলে তো সত্যিটা বেরিয়ে আসবে। তাই বারবার বাধা দেওয়া হচ্ছে। দেখুন, শাহজাহান ভালো না খারাপ, সেটা তো বিচার সাপেক্ষ। কিন্তু এই মুহূর্তে যে পরিস্থিতি ওখানকার, তা ভয়াবহ। এভাবে কি সত্যি চাপা দেওয়া যাবে? আটকাতে পারবেন এই সত্যের বিস্ফোরণ”?
এই ঘটনায় রাজ্য পুলিশের ডিজি-সহ ৩ আইপিএস অফিসারকে তলব করেছে সংসদীয় কমিটি। সেই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান মহাগুরু। তাঁর কথায়, “সেখানে গেলেই সত্যি কথা বলতে পারবেন তাঁরা। নইলে বাইরে কথা বললে অনেকের মনে হবে, বানিয়ে বলছেন”।
গতকাল, বৃহস্পতিবারই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবী করেছেন যে সন্দেশখালিতে আরএসএস-এর বাসা রয়েছে। সন্দেশখালির ঘটনায় বিজেপিকেই দুষেছেন তিনি। সেই মন্তব্যের বিরোধিতা করে মিঠুন বলেন, “আরএসএস গোটা পৃথিবীতে আছে। আর তা নেগেটিভ নয়, পজিটিভ ফোর্স। একটা দেশ গঠনে আরএসএসের বড় ভূমিকা রয়েছে”।
মিঠুন এও বলেন যে তিনি সন্দেশখালি যেতে চান। কিন্তু তাঁকে যেতে বারণ করা হচ্ছে। মিঠুনের কথায়, “আমি ওখানে গেলে গোলমাল হবে। আর এটা এখন গোলমাল করার সময় নয়”।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!