বারবার পুলিশ পথ আটকাচ্ছে ত্রাণ দিতে যাওয়া বিজেপি নেতাদের। দিলীপ ঘোষ থেকে লকেট চট্টোপাধ্যায় সবাইকেই পড়তে হচ্ছে পুলিশি বাধার মুখে। এবার ত্রাণ দিতে যাওয়ার পথে বারুইপুরে বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ের পথ আটকালো পুলিশ। ক্যানিংয়ের তালদি এলাকায় ত্রাণ দিতে যাচ্ছিলেন সাংসদ লকেট। সেইসময়ই বারুইপুর রোডে তাঁকে বাধা দেয় পুলিশ।
উত্তরভাগের পদ্মার মোড় এলাকায় সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়কে আটকায় বারুইপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইন্দ্রজিৎ বসুর নেতৃত্বে থাকা বিরাট পুলিশ বাহিনী। দীর্ঘ ১ ঘণ্টা আটকে থাকেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। রাস্তায় বসে পড়ে বিক্ষোভও দেখান তিনি। প্রায় ১ ঘণ্টা অবস্থান বিক্ষোভের পর পুলিশের অনুরোধে শেষে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেন লকেট চট্টোপাধ্যায়।
রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, রাজ্য সরকার নিজেও ত্রাণ দেবে না। আর ক্যানিং-এ সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় ত্রাণ দিতে গেলে তাঁকেও বিভিন্ন অজুহাতে প্রথমে উত্তরভাগে, তারপর বারুইপুরে আটকায় পুলিশ।
তারপর বিজেপি জেলা অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখানোর সময় সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় ও বিজেপি কার্যকর্তাদের ওপর আক্রমণ করা হয় বলেও অভিযোগ করেছে বিজেপি রাজ্য নেতৃত্ব।
রাজ্য নেতৃত্ব জানিয়েছে, এই বিষয়ে কেন্দ্রকে চিঠি পাঠিয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। চিঠিতে সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ের হেনস্থা ও ত্রাণ দিতে বাধা দেওয়ার ঘটনাও জানানো হবে।
প্রসঙ্গত, বুধবারই লকডাউন না মানার হুঁশিয়ারি দেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী বেরচ্ছেন, আর তাঁরা ত্রাণ দিতে গেলেই বাধা দেওয়া হচ্ছে। এরপর আর তাঁরা লকডাউন মানবেন না, রাস্তায় নামবেন, রাস্তায় দেখা হবে বলে চ্যালেঞ্জ ছোঁড়েন তিনি।






