ভারতে ক্রমশ সঙ্গীন হচ্ছে করোনা পরিস্থিতি। দেশে ক্রমশ বেড়েই চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা শুক্রবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.৬৫ লক্ষে। এশিয়ার মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা হিসাবে সর্বোচ্চ এবং বিশ্বে করোনা আক্রান্ত দেশগুলির মধ্যে ভারত আক্রান্ত সংখ্যায় এখন নবম স্থানে রয়েছে।
এরমধ্যেই অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে মরিয়া কেন্দ্র। এই অবস্থায় লকডাউন কৌশল নির্ধারণে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকে বসলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
রবিবার চতুর্থ দফার লকডাউন শেষের পর কোন পথে হাঁটবে দেশ, তা নিয়ে বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করেন শাহ। লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধি এবং করোনা মোকাবিলায় ভবিষ্যতের কৌশল নির্ধারণে রাজ্যগুলির সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা সারেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, অর্থনৈতিক কাজকর্মে বিধিনিষেধ শিথিলের পক্ষে সওয়াল করেছেন অধিকাংশ মুখ্যমন্ত্রী।
তবে যেভাবে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তাতে সেই বিধিনিষেধ শিথিলের কাজটা যে সহজ হবে না, তা সহজেই অনুধাবন করতে পারছেন মোদী-শাহ জুটি।
শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ৭,৪৬৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। যা একদিনে সর্বোচ্চ। এমনকী মোট আক্রান্তের নিরিখে এশিয়ার মধ্যে শীর্ষে উঠে এসেছে ভারত।
এই পরিস্থিতিতে মোদী-শাহের লকডাউন স্ট্র্যাটেজি নির্ধারণের দিকে তাকিয়ে রয়েছে বিভিন্ন মহল। কারণ সেই বৈঠকেই লকডাউনের ভবিষ্যতে চূড়ান্ত শিলমোহর পড়বে বলে ধারণা রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের। ৩১শে মে-র পরই বোঝা যাবে ঠিক কী ভাবছে কেন্দ্রীয় সরকার।





