হাবরায় আগুনে পুড়লো নথি, নন্দীগ্রামে গেল চুরি! বিজেপি আসছে আঁচ পেয়েই কি দুর্নীতি লুকোনো হচ্ছে? 

গতকাল হাবরা পৌরসভায় অষ্টমদফা নির্বাচন চলাকালীন সময়েই আগুন লাগে। পুড়ে যায় বহু গুরুত্বপূর্ণ নথি পত্র। কিন্তু এই আগুন লাগার ঘটনাকে আর পাঁচটা আগুন লাগার ঘটনার সঙ্গে তুলনা করতে নারাজ ছিলেন হাবরা বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী রাহুল সিনহা্।

তিনি স্পষ্টতই অভিযোগ করে জানান, এই আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে সমস্ত নথি নষ্ট করার জন্য। যাতে তৃণমূলের দুর্নীতি ধরা না পড়ে। একটি ভিডিওতে তিনি দাবিও করেন, “তৃনমূল হারবে এটা নিশ্চিত৷ বিষয়টা ওঁরা নিজেরাও জানে। তাই ওঁদের কারচুপি, দুষ্কর্ম যাতে কেউ না ধরতে পারে তাই পৌরসভার নথিপত্রতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে৷ তবে ক্ষমতায় আসার পর আমরা প্রতিটি দুর্নীতির তদন্ত করব৷”

আরও পড়ুন-বাংলায় সরকার গড়তে চলেছে বিজেপিই, বলছে বুথ ফেরত সমীক্ষা

আর এবার কাছাকাছি কালকের ঘটনারই পুনরাবৃত্তি ঘটল চলতি বিধানসভা নির্বাচনের সবচেয়ে হাই ভোল্টেজ কেন্দ্র নন্দীগ্রামে। ২রা মে যে কেন্দ্র বাংলার ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারে সেই কেন্দ্রেই  এবার গণনা পূর্ববর্তী উত্তেজনা শুরু হয়েছে।

ভোট গণনার মাত্র ৪৮ ঘন্টা আগে নন্দীগ্রামের দুই নম্বর ব্লকের আমদাবাদ ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে বড়োসড়ো রকমের চুরি হয়ে গেল। দরজার তালা ভেঙে, আলমারি খুলে খোয়া গেল বহু গুরুত্বপূর্ণ নথি। টেবিলের ওপর রাখা সারি সারি ফাইলের মধ্যে থেকে খোয়া গেল গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলো। জানা গেছে, চুরি গিয়েছে কম্পিউটারের হার্ড ডিস্কগুলিও।

আরও পড়ুন- ব্যারাকপুরে শীলভদ্র-অর্জুনের চক্রব্যূহ ভেদ করতে পারবেন না রাজ চক্রবর্তী! বলছে বুথ ফেরত সমীক্ষা

এই পুরো ঘটনায় পদ্ম শিবিরের তরফ থেকে অভিযোগের তির গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান-সহ শাসক দলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠছে, গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাতে পঞ্চায়েত অফিসে সব লাইট বন্ধ ছিল। আর এই আলো বন্ধ রেখে পঞ্চায়েত অফিসে বিভিন্ন কাগজপত্র সরিয়ে দিয়েছে তৃণমূল।ক্ষমতার হস্তান্তর হলে শাসক দলের দুর্নীতি যাতে প্রকাশ্যে না আসে, তা ঢাকতেই এই চুরি বলে অভিযোগ।

যদিও এই ঘটনার দায় সম্পূর্ণ ছিঁড়ে ফেলেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি ক্ষমতায় তাঁরাই থাকছে আর তাই নথি চুরি করার তাঁদের কোনও প্রয়োজনই নেই।

এই ঘটনা তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

RELATED Articles