আজ বঙ্গ নির্বাচনের এপিসেন্টার নন্দীগ্রামে চলছে ভোট গ্রহণ। আর এই পরিস্থিতিতেই দ্বিতীয় দফার ভোটের দিনে রাজ্যে প্রচার সারছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফায় মোট ৩০ আসনে ভোট গ্রহণ হচ্ছে। বাঁকুড়া, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলায় চলছে ভোট গ্রহণ। সকাল থেকেই নির্বাচনী এলাকাগুলোতে হিংসাত্মক ঘটনা ঘটছে চোখে পড়ার মতো।
আরও পড়ুন-ভোটগ্রহণের কয়েক ঘন্টা আগে নন্দীগ্রামে আত্মঘাতী বিজেপি কর্মী! তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্ররোচনার অভিযোগ
আজই রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন চলাকালীন জয়নগরে নির্বাচনী প্রচারে আসেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। সেখানেই জনসভা করেন তিনি। বঙ্গ জিততে মরিয়া মোদী সেই জনসভা থেকে ফের আত্মবিশ্বাসের সুরে বলেন, ‘আসল পরিবর্তন আর মাত্র একমাস দূরে।’
আরও পড়ুন- বিজেপি এজেন্টের গাড়ি ভাঙচুর, মহিলা বিজেপি এজেন্টকে মারধর তৃণমূলের, উত্তপ্ত কেশপুর
এদিন ফের নির্বাচনী জনসভায় আরও একবার প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন যে, ‘এবার বাংলায় বিজেপি ২০০ আসন ছাড়িয়ে যাবে। বিজেপির ঢেউ উঠেছে। বিজেপি কর্মীর মৃত্যুকে তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শোভা দেবীর মৃত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশ করছি। অবাক লাগে, এত অত্যাচারের পরেও দিদি কুল কুল বলেন। দিদি তৃণমূল কুল নয়, বাংলার মানুষের কাছে শূল। বাংলার মানুষের কাছে তৃণমূল অত্যাচারের শূল। দিদি আপনাকে হত্যার হিসেব দিতে হবে।’
এরপরই তৃণমূলকে গদিচ্যুত করার হুঁশিয়ারি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, ‘আর রক্তের খেলা চলবে না। অত্যাচারের খেলা চলবে না।’ তিনি এও বলেন যে, ‘দিদির কয়েকটি সিদ্ধান্ত বাংলার এক্সিট পোল হয়ে গেছে। দিদি ভবানীপুর ছেড়ে নন্দীগ্রামে গেলেন। বাংলায় ভোটের গতিবিধি বলছে দিদির এবার হার নিশ্চিত।’
আজ জয়নগরের সভায় ভাষণ দিতে গিয়ে, বিজেপির বিরুদ্ধে সঙ্ঘবদ্ধ হওয়ার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অ-বিজেপি নেতাদের চিঠি পাঠানোর প্রসঙ্গও টেনে আনেন নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন যে, ‘দিদি হারের ভয়ে দেশের কিছু নেতাকে চিঠি লিখেছেন। যদি গত ১০ বছরে বাংলার জন্য কাজ করতেন, তাহলে এক জায়গায় ৩ দিন থাকতে হত না।’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে মোদী বলেন যে, ‘দিদি ঘাবড়ে গিয়ে আগেই ইভিএমের দোষ দিয়েছেন। জয় শ্রীরাম স্লোগানে মমতার সমস্যা। দুর্গা বিসর্জন নিয়েও মমতার সমস্যা। এখন দিদি তিলক দেখলেও রেগে যাচ্ছেন। দিদি নির্দিষ্ট একটি সম্প্রদায়ের জন্য কাজ করছেন।উত্তরপ্রদেশ, বিহার সম্পর্কে যে মন্তব্য করছেন, তা দিদির রাজনৈতিক বোধ নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।’






