কলকাতায় আর.জি.কর হাসপাতালে (R G Kar Hospital)-র নৃশংস ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন গোটা বাংলা। সঠিক বিচারের দাবিতে আন্দোলন চলছে কলকাতার (Kolkata) রাজপথ থেকে শহরতলী গ্রামের অলি-গলিতেও। ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত প্রতিবাদ (Protest) করতে নেমেছেন রাস্তায়।
প্রতিবাদ জানিয়ে এ রাজ্য গর্জে উঠেছে আগেও। কিন্তু এবারের এই প্রতিবাদ নজিরবিহীন। উত্তরের দার্জিলিং থেকে দক্ষিণের কাকদ্বীপ, পশ্চিমের পুরুলিয়া থেকে পূর্বে বনগাঁ মিলে গেছে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগানে। এই আন্দোলনের আরেকটা দিক হল এই আন্দোলনে রাজনীতির রঙ লাগাতে দিচ্ছেন না আন্দোলনকারী জনতা। প্রতিবাদের আগুন জ্বালিয়ে রাখতেও মরিয়া তারা।
সম্প্রতি মোমবাতি, মশাল নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়েছিলেন রাজ্যবাসী। আলো নিভিয়ে অন্ধকার করে দেওয়া হয়েছিল গোটা রাজ্যকে। তখন চারিদিকে শুধু আগুনের লেলিহান শিখায় আলোকিত পশ্চিমবঙ্গ। বুধবার এভাবেই রাত দখলের পর এবার আর জি.করের নৃশংস ঘটনার বিচার চেয়ে মহালয়ার ভোরে পথে নামার ডাক দেওয়া হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াতে এরকম একটি পোস্ট দেখা যাচ্ছে। কে বা কারা এই পোস্ট করেছে। সে বিষয়ে জানা যায়নি।
বুধবার রাত দখলে ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কলকাতা। এবার অবশ্য আর.জি.করে নয় গন্ডগোলের স্থান গড়িয়া। সেখানে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এক মদ্যপ ব্যক্তি আন্দোলনকারীদের মধ্যে ঢুকে মহিলাদের কটুক্তি করেন। সেই ব্যক্তিকে ঘিরে ঝামেলা শুরু হয়। পুলিশ দেরি করে আসায় ক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের ওপর চড়াও হন, গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
এছাড়াও যাদবপুরের ৮বি বাসস্ট্যান্ডের কাছে এক রেস্টুরেন্টে ঝামেলার সৃষ্টি হয়। রেস্টুরেন্টের শেফের বিরুদ্ধে অভব্য আচরণের অভিযোগ করেন এক মহিলা। রেস্টুরেন্টে উপস্থিত লোকজন চড়াও হয় শেফের উপর। ওই মহিলা শেষের নামে এফআইআর দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত সেফও ওই মহিলার নামে থানা এফআইআর করেছেন।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার